এই দানবের বাচ্চাকে দুধ মুরগী খাওয়ানোর কি আছে, তা বুঝতে পারছি না। যে নরপশু মুক্তিযুদ্ধকালে আমার মা-বোনের উপর নৃশংস অমানবিক অত্যাচার চালিয়েছে, দেশের শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদেরকে হিংস্রভাবে হত্যা করেছে, তাকে এত জামাই আদর করার কারণ কি? জেনারেল পুত্রের ক্ষমতা, নাকি ঘুষের কাছে আত্মসমর্পণ?এই কুকুরের বাচ্চা গোলাম আযমকে যেভাবে হুইল চেয়ারে বসিয়ে আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে, তা দেখে নিজেকে স্থির রাখতে পারছিলাম না। একে তো লাত্থি দিতে দিতে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।
নিচের ছবিটি দেখুন:
১৯৮১ সালের ০১ জানুয়ারি তারিখে অর্থাৎ বৎসরের প্রথম দিনেই সে জনতার জুতাপেটার শিকার হয়। প্যালেস্টাইনের যুদ্ধে মৃত দুই বাংলাদেশীর জানাজা পড়ার জন্য বায়তুল মোকাররমে এলে নামাজী মুসল্লীরা তাকে চিনতে পেরে পায়ের স্যান্ডেল জুতা খুলে পিটাতে শুরু করে। একই শাস্তি তার এখন হওয়া উচিত। জনতার হাতে ছেড়ে দিক, মানুষ তার গায়ে মুখে প্রস্রাব করে দিবে, থু থু দিবে, থাপড়াতে থাপড়াতে গাল ফাটিয়ে দেবে, লাথি দিতে দিতে পেটের ভুড়ি বের করে দেবে। আর সেই শালা রাজাকার শিরোমণিকে দুধ কলা মুরগী খাওয়ানো হচ্ছে। আমি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।আজকের বিডিনিউজ২৪ এ দেখলাম এই হারামজাদাকে ইচ্ছাকৃত হাসপাতালের আরামদায়ক পরিবেশে রাখা হচ্ছে। নানারকম অজুহাত তুলে তাকে কারাগারে পাঠাতে বাঁধা দেয়া হচ্ছে। পাকিস্তানী জারজরা প্রশাসনের সর্বত্র যেভাবে কিলবিল করছে এটা তার অন্যতম উদাহরণ।
বিডিনিউজের খবর : স্বাস্থ্য পরীক্ষার নামে কালক্ষেপণের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতে ইসলামীর তাত্ত্বিক নেতা গোলাম আযমকে হাসপাতালে থাকার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। লিংক ।
এর কারণ কি? তা অতিসত্ত্বর বের করা হোক।

0 comments:
Post a Comment