Friday, February 17, 2012

মাদ্রাসা ছাত্র ধর্ষণ করল শিশুকে

আমরা জানি মাদ্রাসায় কোরান সুন্নাহ ভিত্তিক পড়াশোনা করানো হয়। মুসলমানরা মনে করে কোরান হাদীসের আলোকে জীবন পরিচালিত করলে নৈতিক দিক থেকে উন্নত চরিত্রের হওয়া যাবে। কিন্তু আমরা কি দেখলাম। প্রায়ই পত্রিকায় দেখি মাদ্রাসা শিক্ষক, মক্তবের শিক্ষক, মসজিদের হুজুর, মাদ্রাসার ছাত্র কর্তৃক শিশু ধর্ষণের ঘটনা। এসবের কারণ কি? কেউ কেউ বলে থাকেন যে খারাপ সে মাদ্রাসার ছাত্র হোক আর যাই হোক খারাপ থাকবেই। কিন্তু এই ধরণের বক্তব্যকে আমি ভণ্ডামী বলেই মনে করি। যেখানে বলা হয় ইসলামী শিক্ষা উন্নত নৈতিক চরিত্র গঠনে সহায়ক, সেখানে ইসলামী শিক্ষাপ্রাপ্তরা ধর্ষণের মত জঘন্য অপরাধ কেন করবে? কোরান কি তাদের চরিত্র গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে? নাকি আসলে তারা কোরানের শিক্ষাই বাস্তবায়ন করতে গিয়ে অনৈসলামিক আইনের হাতে ধরা পড়ছে। ইসলামী আইন দেশে প্রচলিত থাকলে কি তারা (শিশু ধর্ষকরা) শাস্তির মুখোমুখি হতো?

খবরটি সম্পূর্ণ সূত্রসহ রেখে দিলাম।
ফেনীতে শিশু ধর্ষনের অভিযোগে দাখিল পরীক্ষার্থী গ্রেফতার

বাংলাবার্তা ২৪ ডটনেটঃ ফেনী প্রতিনিধি-ফেনীর পরশুরামে ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষন করার অভিযোগে মোঃ মানিক নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আহত শিশুকে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়,পরশুরাম উপজেলার বাউর খুমা কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী ৯ বছরের শিশু আয়েশা আক্তার মঙ্গলবার পৌর এলাকার তালুকপাড়া গ্রামের মক্তবে পড়তে যায়। পড়া শেষে মক্তবের শিক মোঃ মানিক ওই শিশুকে তার শয়ন কক্ষে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। শিশুটি বাড়ী যাবার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে ঘটনা খুলে বলে। বিষয়টি এলাকায় জানাযানি হলে পৌর এলাকার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ টিপু চৌধুরী ঘটনাটি মিমাংশা করে দেওয়ার প্রতিশূতি দিয়ে ধামাচাপার চেষ্টা চালায়। দুই দিন পর বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুর বাবা বাদী হয়ে পরশুরাম থানায় মামলা দায়ের করলে ওই দিন দুপুরে দাখিল পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করেছে। আসামী মোঃ মানিক পরশুরাম ইসলামিয়া সিনিয়ার মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছিল।
শিশুটির দিন মজুর বাবা জানান,ঘটনার দিন তার মেয়ে বাড়ীতে যাবার পর থেকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে থাকা অবস্থায় আসামী মোঃ মানিকের ভাই জামাল ও স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি টিপু চৌধুরী ঘটনার মিমাংশা করে দিবে বলে ঔষধ কিনে দিলে বাবা শিশুটিকে বাড়ী নিয়ে যায়। বুধবার রাতে আবাও অসুস্থ হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার সকালে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরশুরাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোঃ নিজাম উদ্দিন আসামী গ্রেফতারের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

খবরের সূত্র: www.banglabarta24.net

0 comments:

Post a Comment

 

Blog Archive

© 2012-2017 আমার ইতিহাস | Powered by: Blogger