Saturday, March 17, 2012

মাদ্রাসায় হিন্দু মেয়েদের জোর করে আটকে রেখে ধর্মান্তর

আজকের জনকণ্ঠে পড়লাম পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মাদ্রাসায় হিন্দু মেয়েদের অপহরণ করে আটকে রেখে জোর করে ধর্মান্তর করা হচ্ছে। খবরটি প্রয়োজনীয় বিবেচনায় এই পোস্টে সম্পূর্ণ রেখে দিলাম। মাদ্রাসা নাকি শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান। বাহ! বাহ! এই হল ইসলামিক শিক্ষা যা মাদ্রাসা থেকে ছাত্ররা পাচ্ছে। এই না হলে ইসলাম এবং মুসলমান। ইসলামী সংস্কৃতির এই রূপ সারা পৃথিবীতে একই। যারা ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলে প্রচার করতে চায়, তারা আসলে ইসলামের ভয়ংকর রূপটিকে অন্যদের সামনে থেকে আড়াল করে রাখে। ভান করে ভালোমানুষের। কিন্তু গোপনে গোপনে তরবারীতে শান দেয়। তথাকথিত কাফেরের ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র করে।
সিন্ধুর মাদ্রাসায় হিন্দু মেয়েদের আটক রেখে জবরদস্তি ধর্মান্তর ও বিয়ে অপহরণে জড়িত পিপিপি সাংসদ
পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় হিন্দু মেয়েদের জোরপূর্বক আটকে রেখে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দেশটির জাতীয় পরিষদে ক্ষমতাসীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) মহিলা সংসদ সদস্য ড. আজরা ফজল এ অভিযোগ তোলেন। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউন অনলাইনের।
এ সময় সিন্ধু প্রদেশে চলতি মাসে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা রিঙ্কেল কুমারীর নাম উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, হিন্দু ধর্মের অনুসারী রিঙ্কেলকে অপহরণের পর জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করে বিয়েতে বাধ্য করা হয়েছে। রিঙ্কেল কুমারীর নাম পাল্টে ফারিয়াল শাহ রাখা হয়েছে। সিন্ধুর পিপিপির এক সংসদ সদস্যের সরাসরি সহায়তায় রিঙ্কেলকে অপহরণ করা হয় বলে সংসদে অভিযোগ তোলেন ড. আজরা। ফারিয়ালকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া নিশ্চিত করতে ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান ব্রাড শেরম্যান প্রেসিডেন্ট জারদারির কাছে কড়া ভাষায় চিঠি লিখেছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার সংসদের পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির বোন আজরা ফজল আরও বলেন, সিন্ধু প্রদেশে বসবাসরত সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা অনেক বিপদের সম্মুখীন। বক্তব্যে জোরপূর্বক ধর্মান্তররোধ এবং পাকিস্তানে বসবাসরত সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় আইনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। ড. আজরার বক্তব্যে সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অপর মহিলা সদস্য নাফিজা শাহ বলেছেন, জোরপূর্বক ধর্মান্তররোধে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইন করা দরকার। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি গণমাধ্যমের খবরে দেখা যাচ্ছে যে, পাকিস্তানে অনেক অমুসলিমকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে জোরজবরদস্তি করা হচ্ছে। কিন্তু পাকিস্তানের সংবিধানে সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার কথা বলা আছে। ঐ দিন পাকিস্তানে জোরপূর্বক হিন্দু মেয়েদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে উপস্থিত বেশিরভাগ সংসদ সদস্য বক্তব্য রাখেন।
পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সংখ্যালঘুবিষয়ক সাংসদ লাল চাঁদ এবং মহেশ কুমারও বক্তব্য দেন। তাঁরা বলেন, সবারই যে কোন ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু কেউ কারও ওপর জোরপূর্বক ধর্ম চাপিয়ে দিতে পারে না। অপর জাতীয় পরিষদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ফখর-উন নিসা বলেন, পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় আইন করতে হবে। যে কোন মূল্যে সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করতে হবে।
দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার এই পাতাতে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।

1 comments:

শামা said...

মুসলমানরা এছাড়া আর কিই বা পায়। জোর জবরদস্তি, সন্ত্রাস, হিংসা, অন্য ধর্মের উপর নোংরা আঘাত- মুসলমানদের সামর্থ এই পর্যন্তই। তারা কোন ভাল কিছু করতে পারে কি?

Post a Comment

 

Blog Archive

© 2012-2017 আমার ইতিহাস | Powered by: Blogger