আজ আরবীয় সাম্রাজ্যবাদী হিংস্র ধর্ম ইসলামের দালালরা আমার দেশের আবহমান কালের দার্শনিক ভিত্তি বাউল তত্ত্বের সম্মেলনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। আর আজই আমার বাড়ির পাশে শুরু হয়েছে আরবীয় সংস্কৃতির নগ্র আগ্রাসন ওয়াজের চীৎকার। ১৫/২০টি মাইক এই রাতের বেলা দশদিক কাঁপিয়ে উচ্চকণ্ঠে প্রচার করে চলেছে আরবীয় মানুষ ও সংস্কৃতির মাহাত্ম্য। সত্যি সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ। ওরা আমাদের দেশের সংস্কৃতিকে ঘৃণা করে, আক্রমণ করে, আজেবাজে কথা বলে গালি দেয়, আর আমরা তাদেরই সংস্কৃতির পদসেবা করি। তাদের দেশের সংস্কৃতি- গল্প কাহিনীর প্রচার করি। তাদের দেশের মানুষদের কীর্তিগাঁথা গলার রগ ফুলিয়ে চীৎকার করে প্রচার করে আশেপাশের মানুষের শান্তির বারোটা বাজিয়ে বিকট শব্দে প্রচার করি। একেই বলে শান্তির ধর্ম! আর এসব ওয়াজে কি বলা হয়? আরবীয় সংস্কৃতির গুণগাঁথা-নিয়মকানুন, আরবীয় মানুষদের প্রশংসা-ইতিহাস, বাংলাদেশের নিজস্ব ধর্ম-সংস্কৃতিকে গালিগালাজ, দেশীয় নারীদের সম্পর্কে অশ্লীল বক্তব্য- আর এটাকেই বলে ইসলামী ওয়াজ।
অসভ্য, বর্বর আরবীয় সভ্যতার(?) দেশীয় এজেন্টরা তাদের পিতাদের মানসিকতার মত নিজেরাও অশ্লীল শব্দদূষণ করে গলা ফাটিয়ে প্রচার করে যাচ্ছে। আর আমরা বলদ বাংলাদেশীরা তাই রাস্তায় বসে শুনছি গদগদভাবে। লজ্জ্বা! লজ্জ্বা!! আগামী প্রজন্ম আমাদের সত্যিই ক্ষমা করবে তো?
Monday, March 5, 2012
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

5 comments:
eta sabdaduson. We should stop this kind of sound pollution.
আসলেই। ইসলামপন্থীরা দিনে পাঁচবার চিৎকার করে নামাজে ডাকাডাকি করবে, যেন না ডাকলে কেউ নামাজ পড়তোনা, আবার ওয়াজ করার সময় মাইকে দানবের মত চীৎকার চেচামেচি করে, কি আশ্চর্য? সভ্যতার সামান্যতম ছোঁয়া মুসলমানদের মনে লাগেনি।
মন্তব্য করার জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ। সিভিক সেন্স হল সভ্য মানুষের বোধ। এটা মুসলমানদের কাছ থেকে আশা করা যায় না। মডারেট মুসলমানদের নাতি নাতনি হয়তো বিষয়টা বুঝবে। কিন্তু বর্তমানকালের মুসলমানরা? কখনও না। এরা পরনির্ভরশীল, পরগাছা মাত্র। আরবের বাপেরা যা বলবে, তার বাইরে কিছু করার মত মানসিক শক্তি এদের নেই।
সারাদিন পাঁচবার চীৎকার করার পরও তাদের খায়েশ মেটে না। ওয়াজের নামে চীৎকার চেচামেচির একশেষ করে ফেলে। ধর্ম বটে একখান।
ঠিকই বলেছেন:- "ধর্ম বটে একখান।"
Post a Comment