এক এনজিও কর্মকর্তাকে খুন করার জন্য তার পরকীয় করা স্ত্রী পেশাদার খুনী হিসেবে ইমামকে ভাড়া করেছেন। মসজিদের একজন ইমামকে আমরা জানি পাক-পবিত্র মানুষ। নামাজ পড়তে আসা সব মানুষদের ভুলত্রুটির দায় নিজের ঘাড়ে নেয়ার মত সাহস ও শক্তি তার আছে। সেইজন্য বোধহয় মানুষ খুন করার মত ভয়ানক কাজ করতেও তার কোন দ্বিধা নেই। আর সেইজন্য তিনি মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি মানুষ খুন করার মত ভয়ংকর কাজের জন্য খুনী হিসেবে ভাড়া খাটেন। কাফের-মুশরিক-নাস্তিক-হিন্দুদেরকে খুন করার যে শিক্ষা কোরান-হাদীস দেয় মসজিদের ইমাম সেই শিক্ষায় শিক্ষিত। কোরান-হাদীস তাকে নিশ্চয় আশ্রয় দিয়েছে, ক্ষমা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। না হলে তো তার এমন খুনী মানসিকতার হওয়ার কথা ছিল না। ইসলামী তর্কবাজরা হয়তো বলবে যে, ইমাম মানসিকভাবেই খুনী ছিল, কোরান হাদীস তাকে খুনী করেনি। তাহলে তো আরও খারাপ ব্যাপার। কারণ যে লোক সারাদিন আল্লাহ-খোদার নাম নিয়ে থাকে, মানুষকে কোরান হাদিস শিক্ষা দেয়, তার তো ভাল মানুষ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও তা হয়নি। বরং এই যুক্ত গ্রহণ করলে এ কথা বলা যায় যে, কোরান হাদিস মানুষের মনের কালিমা মুছে দিতে পারে না। এই ইমামের বিষয়ে বলা যায় যে কোরান হাদিস একেবারে ব্যর্থ হয়েছে।
খবরের লিংক: প্রথম আলো
Friday, March 2, 2012
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

0 comments:
Post a Comment