Thursday, July 19, 2012

মাদ্রাস শিক্ষক ধর্ষণ করেছেন ১৩ বছরের ছাত্রীকে

আজকের (১৯ জুলাই ২০১২) তারিখের জনকণ্ঠ পত্রিকার দেশের পাতায় একটি খবর আছে। এক মাদ্রাসা শিক্ষক ধর্ষণ করেছিলেন তার মাদ্রাসার ছিত্র হালিমা'কে। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করলে তার ডিএনএ ও শিশুটি ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। প্রমাণিত হয় যে মাদ্রাসা শিক্ষকই শিশুটির পিতা। আহা! খবরটি জেনে দুঃখ লাগল। যদি ইসলামী শাসনব্যবস্থা থাকত, তাহলে তো ডিএনএ ফিএনএ কোন টেস্ট থাকত না। আর তাহলে তার চরিত্রহীনতার খবরও কেউ জানত না। পত্রিকার পাতা থেকে খবরটি সম্পূর্ণ আমার ব্লগে রেখে দিলাম।

চাঁদপুরে নবজাতক ধর্ষণকারী শিক্ষকের
ডিএনএ টেস্টে প্রমাণিত
নিজস্ব সংবাদদাতা, চাঁদপুর, ১৮ জুলাই ॥ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে শিশুছাত্রী (হালিমা আক্তার) (১৩)কে মাদ্রাসা শিক্ষক আ. জলিল মাস্টার (৬০) কর্তৃক ধর্ষণ প্রমাণিত হয়েছে। ওই ধর্ষণের শিকার হালিমার গর্ভে জন্ম নেয়া শিশুকন্যাটি অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের। নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল বিশেষ আদালত-১-এর বিচারক মোঃ শফিকুল করিম অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের চ্যালেঞ্জে ২৩ মে শিশুকন্যাটির ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। ২০১০ সালের ৩ আগস্ট হাজীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব কাপাইকাপ গ্রামের কাপাইকাপ সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক আ. জলিল মাস্টার ওই মাদ্রাসার ছাত্রী (শিশু হালিমা)কে কাপাইকাপ বকাউল বাড়ির কাছারিঘরে কয়েকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় হালিমা ২০১১ সালের ১৯ এপ্রিল একটি কন্যাশিশু জন্ম দেয়। এ ঘটনায় আ. জলিলকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে আসামি করে মামলা হলে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য হাজীগঞ্জ থানাকে নির্দেশ দেয়। পরে থানা আসামির বিরুদ্ধে চার্জশীট প্রদান করলে ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। আসামি বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।

খবরের লিংক
ধর্ষণপ্রবণ মাদ্রাসা শিক্ষকদের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়ে যাচ্ছে। সেইজন্যই কি রাস্তাঘাটে মেয়েদের বোরখা পড়ার হারও বেড়ে গেছে? বাংলাদেশের মুসলমানরা যতদিন নিজের দেশের মানবীয় উদার সংস্কৃতির মূল্য বুঝতে না পারবে, ততদিন তাদের বোকামীর সুযোগ নিয়ে আরবীয় নীতি বাংলাদেশের নারীদেরকে এভাবেই ধর্ষণ করতে উৎসাহিত করে যাবে।

0 comments:

Post a Comment

 

Blog Archive

© 2012-2017 আমার ইতিহাস | Powered by: Blogger