আবারও মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলাৎকারের ঘটনা ঘটল। সাব্বাস হুজুর সাহেবরা। আপনারা আরবীয় সংস্কৃতির দালালী করে বাঙালি শিশুদের বলাৎকারের যে ইতিহাস রচনা করে যাচ্ছেন, তা সচেতন ও দেশপ্রেমিক বাঙালি চিরকাল মনে রাখবে ও আরবীয় সংস্কৃতির প্রতি থুথু নিক্ষেপ করবে। বিদেশী আরব দেশের সংস্কৃতি ধর্মের দালালী করার সুফল বাংলাদেশের নিরীহ জনগণ ধীরে ধীরে হলেও বুঝতে পারছে। তারা সতর্ক হয়ে উঠছে, আগামী দিনে মানুষ এর প্রতিশোধ নিবেই নিবে।
আজ ১ আগস্ট ২০১২ তারিখের জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত খবরটি কৃতজ্ঞতাসহ সম্পূর্ণ আমার ব্লগে রেখে দিলাম।
বরিশালে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ
নিজস্ব সংবাদদাতা, গৌরনদী, ৩১ জুলাই ॥ বরিশালের গৌরনদী উপজেলার চাঁদশী জামেদিয়া মোহাম্মদিয়া মাজিদিয়া মাদ্রাসার এক শিক্ষক কর্তৃক সোমবার রাতে ওই মাদ্রাসার এক ছাত্রকে বলাতকার করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় এক ইউপি সদস্যর নেতৃত্বে কতিপয় প্রভাবশালীরা মঙ্গলবার বিকেলে অতিগোপনে মীমাংসা বৈঠকের বসেন। জানা গেছে, ওই মাদ্রাসার হিযবুল কোরান শিক্ষাবর্ষের ছাত্র মুলাদী এলাকার আবু ছালে হককে (১৪) সোমবার রাতে নিজের শয়নকক্ষে কথা বলার জন্য ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক বলাতকার করে একই মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা বেল্লাল হোসেন। শিক্ষক বেল্লালের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি আবু ছালে হক তার সহপাঠীদের কাছে জানালে মুহূর্তের মধ্যে বলাতকারের খবরটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দরা ও স্থানীয় এক ইউপি সদস্য বলাতকারের স্বীকার আবু ছালে হককে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে ওইদিন বিকেলে অতিগোপনে মাদ্রাসার অভ্যন্তরে প্রহসনমূলক মীমাংসা বৈঠক বসেছে। ওই বৈঠকে উপস্থিত ইউপি সদস্য মোঃ নজরুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে (০১৮২২-৮২৪২১৯) নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে চাঁদশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষ্ণকান্ত দে’র সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি লোকমুখে শুনেছি। তবে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর পূর্বেও একই অভিযোগ উঠেছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
লিংক
Wednesday, August 1, 2012
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

0 comments:
Post a Comment