Sunday, February 26, 2012

বাংলাদেশে মোহাম্মদের দাড়ির (বাল) প্রদর্শনী হচ্ছে

কাশ্মীরে একটি মসজিদ আছে। নাম 'হযরতবাল মসজিদ'। সেখানে নাকি ইসলামে নবি মোহাম্মদের চুল আছে। একবার সেই চুল চুরি হয়ে যায়। কয়েকদিন পর মোহাম্মদের চুল আবার সেই মসজিদে দেখা যায়। চোর চুরি করে নিয়ে গেলেও কেন ফিরিয়ে দিয়ে যায়, তা আর জানা যায় নি। তবে সেই চুল(বাল) যে পাল্টানো হয়নি, তার কোন প্রমাণ নেই। চোর যে হযরতের বাল (চুল) ফেলে দিয়ে নিজের চুল (বাল) মসজিদে ফেরত দেয়নি, তারই বা কি প্রমাণ।

এই ঘটনাটা মনে পড়ে গেল বাংলাদেশে বর্তমানে চলা মোহাম্মদের দাড়ি প্রদর্শনীর খবর দেখে। বায়তুল মোকাররমে ইরান ও তুরস্কের ঢাকার দুতাবাসের উদ্যোগে চলা মোহাম্মদের দাড়ি ও ব্যবহার্য দ্রব্যাদির প্রদর্শনী গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে। মোহাম্মদের দাড়ি দেখার জন্য গরুটাইপের মুসলমানদের ভীড় উপচে পড়ছে। ভীড়ের কারণে প্রদর্শনীর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আহা! মুসলিম মানস! তাদের কাছে বিশ্বাসটাই বড়। কোন প্রমাণের অপেক্ষা না করে বিশ্বাস করতে কি কোন কষ্ট আছে?

কিন্তু আমার সন্দেহপ্রবণ মন বারবার এটাই বলছে - এগুলো যে মোহাম্মদের দাড়ি (বাল) তার কি কোন প্রমাণ আছে? যে কারও চুল/ দাড়ি/ বাল দেখিয়ে তাতে মোহাম্মদের নাম লাগানো হচ্ছে না তো? DNA প্রমাণ তো করা যেতে পারে। বাংলাদেশের সুশীল সমাজ মোহাম্মদের দাড়ি (বাল) নামের চুলগুলো যে সত্যিকারের মোহাম্মদেরই, তার নামে বোকা বাঙালিদের সাথে কোনরকম প্রতারণা করা হচ্ছে না তার বিচারের দাবী জানাবে কি? মনে হয় না। সেই মেরুদণ্ড তাদের নেই। বাঙালিদের বোকামোকে পুঁজি করে ইরান-তুরান অক্ষশক্তি আবারও প্রতারণার কোন জাল ফেলছে কিনা কে জানে?

বাংলাদেশে মোহাম্মদের বালের প্রদর্শনীর খবরের লিংক

0 comments:

Post a Comment

 

Blog Archive

© 2012-2017 আমার ইতিহাস | Powered by: Blogger