Saturday, February 25, 2012

কোরান পোড়াল মাদ্রাসা ছাত্ররাই

আফগানিস্থানে মার্কিন বাহিনী কর্তৃক কোরান পোড়ানোর ঘটনায় খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ক্ষমা পর্যন্ত চেয়েছেন। তবুও মুসলমানদের ক্ষোভ থামছে না। কোরান পোড়ানোর শাস্তি দাবিতে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজন (৫ জনেরর বেশি) মুসলমান বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গুলি খেয়ে জীবন বিসর্জন দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের ঘটনা দেখুন। এখানে সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠেছে। এখানে কোরান পুড়িয়েছে মুসলমানরাই। তাও আবার মাদ্রাসার ছাত্ররাই এই কাজ করেছে। ভাগ্যিস কোন হিন্দু বা খ্রিস্টান বা বৌদ্ধ এই কাজ করেনি। তাহলে না জানি না কি হত। ১৫০টি কোরান যদি কোন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান পোড়াত, তাহলে বোধহয় শেখ হাসিনার গদি নড়বড়ে হয়ে যেত। আর সারা দেশজুড়ে হাজার হাজার মন্দির-প্যাগোডা-গির্জা পুড়িয়ে ছাই বানিয়ে ফেলা হত। আর কত নিরাপরাধ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান মানুষকে যে হত্যা-খুন করা হত, কত বাড়িঘর লুটতরাজ করা হত, কত নারীকে যে ইসলামী স্টাইলে ধর্ষণ করা হত, তা ভাবতেও গা শিউড়ে উঠছে। মুসলিম মানস বলে কথা, কোরান পোড়াবে আর তারা চুপ থাকবে- এটা তো হতে পারে না। দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত আজকের খবরটির কিছু অংশ এই ব্লগপোস্টে রেখে দিলাম। আগ্রহীরা লিংক ধরে গিয়ে বাকী খবরটুকু পড়ে নিতে পারেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, চুয়াডাঙ্গা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ॥ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় একটি মাদ্রাসা ও একটি কবরস্থানের মধ্য থেকে প্রায় ১৫০টি পোড়া কোরান শরীফ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে পুলিশ ওই দুটি স্থান থেকে অর্ধ পোড়া অবস্থায় কোরান শরীফগুলো উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় পুলিশ স্থানীয় সিদ্দিকীয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রবিউল হকসহ ওই মাদ্রাসার ৯ ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত ছাত্ররা হলো ইব্রাহিম খলিল, মহিদুল, ইমরান, মশিউর রহমান, সেলিম রেজা, জাহিদুল ইসলাম ও খালিদ মাহমুদ। জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলা শহরের মাদ্রাসা পাড়ার একটি কবরস্থানের মধ্যে কোরান শরীফ পুড়ছে খবর পেয়ে বেলা পৌনে ১১টার দিকে ওই স্থান থেকে প্রায় শতাধিক অর্ধপোড়া কোরান শরীফ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পাশেই সিদ্দিকীয়া আলিম মাদ্রাসার ভেতর থেকে কাগজ পোড়ার গন্ধ আসলে পুলিশ ওই মাদ্রাসায়ও অভিযান শুরু করে। এক পর্যায়ে মাদ্রাসার একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার হয় আরও প্রায় অর্ধশত পোড়া কোরান শরীফ।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ প্রথমে ওই মাদ্রাসার ৮ ছাত্র ও পরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রবিউল হককে গ্রেফতার করে। পুলিশ বলছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ইব্রাহিম খলিল নামে এক ছাত্র কোরান শরীফ পোড়ানোর কথা স্বীকার করেছে। তবে কেন এবং কি কারণে কোরান শরীফ পোড়ানো হয়েছে এই বিষয়ে ওই ছাত্র মুখ খোলেনি।
জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের শিরোনাম ও লিংক "চুয়াডাঙ্গায় কবরস্থান ও মাদ্রাসা থেকে পোড়া কোরান শরীফ উদ্ধার"

2 comments:

রাবেয়া said...

কোরান পোড়াতে তাদের কেমন আনন্দ লেগেছিল জানা দরকার। তাহলে আমরাও কোরান পোড়ানোর আনন্দ পেতাম।

Anonymous said...

sala malauner bachcha.

Post a Comment

 

Blog Archive

© 2012-2017 আমার ইতিহাস | Powered by: Blogger