ঘটনা এটুকুই। কিন্তু আমার কয়েকটা প্রশ্ন আছে:
- মুসলমানরা নিজেদের নামাজ নিজেরা পড়বে। এতে অন্যরা বিরক্ত করবে কিভাবে? হাটহাজারীতে যে ঘটনা ঘটেছে তা প্রায় ১০০ বৎসরের পুরনো ফরমেটের ঘটনা। মসজিদের পাশের রাস্তা দিয়ে হিন্দুধর্মীয় শোভাযাত্রা গেলে তাদের নামাজ বন্দেগীতে ডিস্টার্ব হয়। কি আশ্চর্য!! কেমন তাদের মনোযোগ? কেমন তাদের প্রার্থনার গভীরতা? বাইরের শব্দ মনের ভিতরে ঢুকে পড়ে? যারা নামাজকালামে ডিস্টার্বের অভিযোগ করে, তাদের বিশ্বাসের তলানী যে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে এটা আমরা বুঝতে পারলাম।
- হিন্দুরা কয়েকজন মুসলমানকে মারপিট করে আহত করেছে। সে জন্য থানাপুলিশ আছে। আপনারা এতটাই শান্তিবাদী যদি হয়ে থাকেন, তাহলে থানায় গেলেন না কেন? পুলিশকে খবর দিলেন না কেন? আক্রমণকারী হিন্দু সদস্য যদি শতাধিকও হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা করলেন না কেন? মন্দির ভাংচুর, হিন্দু নারীর অপমান, লুটপাটের চাইতে সেটাই কি বেশি শান্তিময় ছিল না?
- বলা হয়ে থাকে 'মসজিদ ভাঙা আর মন ভাঙা একই কথা'। যদি হিন্দুরা সত্যিই আপনাদের মসজিদ ভাঙতো (যেমনটা পরে প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে), তাহলে আপনার কেমন লাগতো? নাকি মনে করেন যে 'মন্দির ভাঙা আর মন ভাঙা একই কথা' নয়?
- মিডিয়াতে খবরটা সেভাবে আসেনি। এর সহজ অর্থ হচ্ছে যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ২০১২ সালেও যে মুসলমানরা হিন্দুমন্দির ভাঙছে, হিন্দু নারীদের নির্যাতন করছে- তা আপনারা গোপন রাখতে চান। নিজেরা জেনেছেন, তো জেনেছেন; অন্য কাউকে জানাতে চান না। এটা কি স্পষ্ট পক্ষপাত নয়? ইসলামপক্ষে নিজের অবস্থান ঘোষণা করা নয়? সাম্প্রদায়িকতা নয়?
- আমার জোর সন্দেহ, মসজিদে আক্রমণ করার মত কোন ঘটনাই ঘটে নি। এটা সম্পূর্ণরূপে হিন্দু মন্দির আক্রমণ করার জন্য একটি মিথ্যা অজুহাত মাত্র। আপনার কি মনে হয়?
ছি! মুসলমান ছি! ছি! ইসলাম ছি!
তোমাদের মুখে আমি থু থু দেই
তোমাদের মুখে আমি থু থু দেই
খবরের বিডিনিউজ২৪ লিংক

0 comments:
Post a Comment