Md Musa
২০১২.০৪.০৭ ০৪:১৬- "এসআই জাহিদুল হক জানান, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত ২৭ মার্চ ফতেপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মঞ্চস্থ নাটকে মহানবী হজরত মুহামঞ্চদ (সা.)কে নিয়ে কটূক্তি-সম্পর্কিত ঘটনায় অতিরঞ্জিত করে সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগে সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার কালীগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুর সংবাদদাতা মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। "
মিজানুর রহমান শিবিরের সাবেক নেতা এটাই চেপে যাওয়া হলো এই খবরে। - ২০১২.০৪.০৭ ০৫:১২
- I can not understand how it possible where our police department there. This is just a example. Like this many others are happening around our country (directly and indirectly). Each and everyday we are suffering for that. My question is why?????? we are Bangladeshi too. We love our motherland not less then others. When we see this type of news from far away from our country.....we always worry about our parents, relatives and others who are suffering.
Farhad Rana
২০১২.০৪.০৭ ০৬:১৪- মনে হচ্ছে পুরো বিষয়টি ই পরিকল্পিত। তা না হলে দুনিয়াতে এত বিষয় থাকতে মহানবী সঃ কে কটা ক্ষ করে নাটকে চরিত্রায়ন করবে কেন? কোনও কুচক্রি মহল আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য নষ্ট করার জন্য আর বাংলাদেশের ইমেজ নষ্ট করার জন্য এটা করে থাকতে পারে।
Birendra Bhattacharjee
২০১২.০৪.০৭ ০৭:০০- Dear Sir,
I am willing to know exactly what had been there in the drama. How Can I know that? - ২০১২.০৪.০৭ ০৭:১৫
- বাংলাদেশে কেন নরেন্দ্রমোদীদের মত লোক নেই ? এখানে এত নির্বোধ মানুষ থাকতে কেন হর হামেশাই সংখ্যা লঘু নিধন যোগ্য হবে না ? সম্ভবত এরকম একটা আইডিয়া কোন কোন কুচক্রী মহলের মাথায় আছে। এ হচ্ছে সেই কুচক্রের কাজ । এদেশটাকে ইসলামী টেরোরিজমের অভয়ারন্য বানাবার ষড়যন্ত্রে যারাই লিপ্ত আছেন, তাদেরকে বলছি , সাবধান। এখানে এসব চলতে দেয়া হবে না। দেশের সকল জনগনকে এসব কুমতলবীদের বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বাবান জানাচ্ছি ।
Debu Sarkar
২০১২.০৪.০৭ ০৭:৩৬- জামায়াতের সাম্প্রদায়িক রুপ নতুন কিছু নয়। একাত্তরেও অসংখ্য জামায়াত নেতা-কর্মী হিন্দু সম্পদ লুঠ করে আজ প্রভাবশালী ধনীতে পরিণত হয়েছে। আমি নিজে মুক্তিযুদ্ধের মাঠ পর্যায়ের উপাত্ত সংগ্রহ করতে গিয়ে এমন একটি হিন্দু অধ্যুষিত গ্রাম পেয়েছি, যেটির পুরোটাই তখন জামায়াত কর্মীরা দখল করে নেয়। স্বাধীনতার পরেও কেউ আর দখল হয়ে যাওয়া সেই সম্পত্তি ফিরে পায়নি। সাতক্ষীরায়ও ঠিক এই কাজ তারা করছে। সম্পূর্ণ মিথ্যা একটি খবরের ভিত্তিতে সেখানে এতগুলো পরিবারের উপর হামলা করা হলো। এখানে লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনার অভিযোগ এনে ফতেপুর গ্রামের আবদুল হাকিমের বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং জিয়াদ আলী মীর ও তাঁর চার ছেলের বাড়িতে লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলেও সম্পূর্ণ বিনা কারণে ফতেপুর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে চাকদাহ গ্রামের সাতটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিবারের বাড়িঘরে লুটপাট ও ভাঙচুর করে পেট্রল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এই কৌশলটা ঠিক একাত্তরের মত, তথাকথিত অভিযুক্ত এক-দুই জন মুসলমান অধিবাসীদের উপর হামলা করার পাশাপাশি গণহারে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা। ইদানিং নতুন একটি অজুহাত তৈরি করা হচ্ছে, সেটি হলো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত। গত এক বছরে এই অজুহাতে অন্তত কুড়ি জন হিন্দু শিক্ষকের চাকরি কেড়ে নেওয়া হয়েছে; এদের অনেকেই এখনও এলাকা ছাড়া। এই সব ঘটনা দেখে সাধারণভাবে মনে হতে পারে যে, হিন্দু শিক্ষকরা বোধহয় ইসলাম ধর্মের উপর খড়গহস্ত হয়ে উঠেছেন। বাস্তব ব্যাপারটা মোটেই তেমন নয়। এরকম চাকরি হারানো দুই জন শিক্ষকের ছাত্রদের সাথে আমি আলাপ করে দেখেছি, দুইজনই ছিল ঐ প্রতিষ্ঠানের অন্যতম সেরা শিক্ষক। কথাচ্ছলে বলা সামান্য একটি মন্তব্যকে চরম বিকৃত করে স্থানীয় জামাতিরা এমন একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, যাতে ঐ শিক্ষকের চাকরি কেড়ে নেওয়া যায়। অথচ এই জামাতিরাই তাদের অনেক ধর্মীয় আলোচনায় প্রকাশ্যে হিন্দু ধর্মের অবতার ও দেবদেবী নিয়ে চরম ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও সমালোচনা করে। আমি নিজে এরকম কিছু ওয়াজের ক্যাসেটও শুনেছি। আমার ধারণা অনেকেই তা শুনেছেন। ধারণা করুন তো, ইসলাম ধর্মকে সমালোচনা বা ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে যদি এরকম ক্যাসেট বের হতো, তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গড়াতো! ধর্মীয় অনুভূতি তো সকলেরই রয়েছে, তাতে আঘাত লাগলে সকলেরই খারাপ লাগে। কিন্তু তার প্রতিক্রিয়াটাও ধার্মিক-সুলভ হওয়া বাঞ্চনীয়।
nur alam
২০১২.০৪.০৭ ০৮:৩০- এটা পরিকলপিত ভাবে সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের পরিবারের বাড়িঘরে লুটপাট ও ভাঙচুর করে পেট্রল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। হুযুর কেবলা নাটকটিতো আর তারা বা ম্যাডাম মিতা রানী হাজরা অভিনয় করেননি। এমন কি এর লেখক বা আয়োজক ও তাদের মধ্যের কেউ নন । তাহলে কেন এমনটি হলো ?
M. Shawkat Ali
২০১২.০৪.০৭ ০৮:৪১- প্রকৃত ঘটনাটি আদ্যোপান্ত তদন্ত হওয়া দরকার। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধেয় মহামানব সম্পর্কে কটুক্তি করার বিষয়টিকে গুরুত্ব না দেওয়ার ফলেই কি এ ধরনের ঘটনা ঘটল? না কি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে তোষননীতির ফলেই এরকম ক্ষোভের বহি:প্রকাশ ঘটল? প্রকৃত বিষয়টি ধামাচাপা দেবার ফল কিন্তু মোটেই শুভ হবে বলে মনে হয় না। কারন সহিষ্ঞুতা কোন ক্রমেই একতরফা হতে পারে না।
Gopal Kumar
২০১২.০৪.০৭ ০৮:৫৮- বারবার কেন সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে?
Mohammed
২০১২.০৪.০৭ ০৯:২৬- I don't believe even for a moment that our fellow Hindu citizens have insulted Prophet Mohammed (S.M).Even if they did,nobody has right to take law into their hands;we've law enforcement departments for that.Fanatics are narrow-minded cowards,they attack on the minorities by creating an excuse for their own interests.Criminals must be punished.
Md.Jafrul Islam
২০১২.০৪.০৭ ১০:০৬- মুসলমান, খিরিসটান, হিনদু নয় । আমরা মানুষ । এই পরিচয়ে শান্তিতে বাচতে চাই।
Sarfaraj Alam
২০১২.০৪.০৭ ১০:০৯- What a shame...............লজ্জাতে মাথা নিচু হয়ে জায়
- ২০১২.০৪.০৭ ১০:১৪
- শিকর উৎপাটন না করায় রাজাকারদের এই তৎপরতা । তারা এখনও মনে করে দেশটি পাকিস্তান।
Sarfaraj Alam
২০১২.০৪.০৭ ১০:১৭- the position of minorities in bangladesh is horrible.
অর্ক
২০১২.০৪.০৭ ১০:৫২- আবুল মনসুর আহমদের লেখা 'হুযুর কেবলা' নাটকটি গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকবার পড়লাম, এই নাটকে একবারও হযরত (সঃ ) নিয়ে কোন বিদ্রুপ করা হয় নি। বিদ্রুপ করা হয়েছে তাদের, যারা উনার কথা বলে ধর্মের নামে ব্যবসা করে, মুখে বলে উনাকে অনুসরন করে কিন্তু অন্তরে থাকে উনার নীতিকে ধ্বংস করার আকাঙ্ক্ষা । তাই এই নাটক মঞ্চায়নে বিশেষ একশ্রেনীর মানুষের গায়ে লেগেছে ( আমি আবার বলছি বিশেষ এক শ্রেনীর, পাঠক খেয়াল রাখুন) যারা সাধারণ মানুষদের ভুল বুঝিয়ে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে।
একটা জিনিস খেয়াল করুন পাঠক, নাটকের লেখক থেকে শুরু করে অভিনেতা, অভিনেত্রী বেশিরভাগই মুসলিম । শুধু পরিচালক হিন্দু। একজন হিন্দুর জন্য ১৫- ১৬টা হিন্দু পরিবারের উপর হামলা কিসের লক্ষণ? এটা অবশ্যই উদ্দেশ্য প্রণোদিত, যার মধ্যে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ইসলাম অবমাননার মিথ্যা বুলি। এই ইসলাম অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধ্যে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত।
masud
২০১২.০৪.০৭ ১১:১৩- TRANSFER MEANS THEY GOT PROMOTION IN PLACE OF DEMOTION. BRAVO!!!!!!!!!!?????????
WHAT A PECULIAR COUNTRY IS OUR. LOT OF THANKS TO OUR GOVT..............
Tapas kumar chanda
২০১২.০৪.০৭ ১১:৪১- Minority people are man as like you. They have citizenship in country. Government has to give freedom in order to live as like a majority. When government will change, minority people will be bad affected. But why!!! What is problem with minority?
.
Umor Farukh. (Software Engr.)
২০১২.০৪.০৭ ১১:৪২- নাটকের নাম দেখেই বুঝা যায় ওখানে কি দেখানো হয়েছে। আমাদের নাট্যকাররা রাজাকারের চরিত্রই ফুটিয়ে তুলতে পারেন না। কিছু কিছু কবি, সাহিত্যক, নাট্যকার সারা জীবন শুধু মুক্তিযোদ্ধের নাম বেচে গালাগালি করেই জীবিকা নির্বাহ করছেন।
Nirmol
২০১২.০৪.০৭ ১৩:৫৫- ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও উসকানিমূলক সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগে স্থানীয় একটি দৈনিকের সংবাদদাতার বিরুদ্ধে একই সময়ে মামলা হয়েছে।
সরেজমিন: গতকাল শুক্রবার ফতেপুর ও চাকদাহ গ্রামে গেলে অনেকেই আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার কথা বলেন। চাকদাহ গ্রামে শ্যামাপদ সরদার বলেন, ‘আমি কল্পনায় আনতে পাচ্ছিনে, ওরা কেন আমাদের ওপর এমন নির্দয় হলো।’
ফতেপুর গ্রামের কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন, ‘এ গ্রামের আমাদের সাত পুরুষের বসবাস। এমনভাবে ওরা আমাকে নিঃস্ব করে দিল।’
সবার নাম জানা গেল ! কিন্তু স্থানীয় সংবাদদাতার নাম জানা গেল না ! আপনারা সাংবাদিকরা ঐ সাংবাদিকের নামটা লিখতে পারেন না ? ভয় লাগে, না শরম লাগে ?
kmiukhan
২০১২.০৪.০৭ ১৩:৫৬- প্রধান শিক্ষক রেজোয়ান হারুন, সহকারী প্রধান শিক্ষক মিতা রানী হাজরা ও দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল ইসলামসহ এরা কেন এমন নাটক মঞ্চস্থ হতে দিলেন আর নীরিহ মানুষের এত ভোগান্তি করলেন। মনে হচ্ছে পুরো বিষয়টি ই পরিকল্পিত।
Md. Fakhrul Islam Babu
২০১২.০৪.০৭ ১৬:১৪- সংখ্যালঘু সংখালঘু- কত শুনব ? আমরা মানুষ এটাই কি আমাদের বড় পরিচয় হতে পারে না? প্রতিবাদ জানানোর বিকল্প উপায় বের করা দরকার। রাস্তা অবরুদ করে সাধারন মানুষ কে কষ্ট দেওয়া কি মানবধিকার লঙ্ঘন নয়?
- ২০১২.০৪.০৭ ১৮:০০
- Debu Sarkar এবং তার মত কিছু বুদ্ধি বিক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি- এ বিষয়ে শুধুমাত্র জামাত শিবিরের ঘাড়ে চাপিয়ে দায় এড়িয়ে যান বলেই আসল ঘটনা কোনদিন উদঘাটিত হয়না। আমি একটা ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলাম। ১৯৯১ সালে হিন্দুদের মিষ্টির দোকান লুট. কিছু পুরোন ভাংগা মন্দির ভাংগার নাটক করেছিল একটা মহল । তার ভিডিও ধারন করেছিল অনেকেই। যে সব ছেলেরা এগুলো করেছিল তারা পাঞ্জাবী পরে মাথায় টুপি লাগিয়ে এটা করেছিল। ভিডিও করা শেষ হলে তারা তাদের আস্তানায় ফিরে যায়। কিন্তু কাকগুলো জানতেই পারেনি যে অন্য একটা গ্রুপ এগুলোর ভিডিও ধারন করে তাদের নেতাকে দেখাবে। তখন তাদের নেতা ক্ষমা চেয়ে এবং বিষয়টা প্রকাশ না করার শর্তে সেই ভিডিও ভিক্ষা করে চেয়ে নিয়েছিলেন। কেন জানেন ? তা না হলে তার রাজনীতি সেদিন থেকেই বিলুপ্ত হয়ে যেত । এই ঘৃন্য মানব সমাজে কেবল একটা পক্ষকে এভাবে না দেখে মতলববাজদের মতলব কি, সেটা অনুসন্ধান করুন, তাহলে দেখবেন থলের বেড়াল বেরিয়ে আসবে।
emon
২০১২.০৪.০৭ ১৮:১১- From now on we should avoid religious drama for good
Sarfaraj Alam
২০১২.০৪.০৭ ২১:৪১- I must say............ bangladesh is not secular..
Saturday, April 14, 2012
সাতক্ষীরায় হিন্দু নির্যাতনের ঘটনায় মুসলিম মানস
তথাকথিত নিরপেক্ষতার দাবীদার 'প্রথম আলো' পত্রিকায় সাতক্ষীরায় হুযুর কেবলা নাটক কেন্দ্রিক হিন্দু বাড়িঘর ধ্বংস তথা মুসলমান কর্তৃক সাম্প্রদায়িক আক্রমণের খবর প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে যখন দেশের সবাই খবরটি জেনে ফেলেছে, তখন সুযোগ বুঝে "সংখ্যালঘুদের বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিন মামল" শীর্ষক খবর প্রকাশ করেছে। লিংক। আমি খবরটি নিয়ে খুবই উৎসাহিত কারণ প্রায় দুই হাজারেরও বেশি মানুষকে মামলায় আসামী করা হয়েছে। প্রকাশিত খবরের নিচে নানাজনের মন্তব্য আছে। সেই মন্তব্যগুলো সংরক্ষণ করে রাখার জন্য আজকের এই পোষ্টে প্রকাশ করলাম।
Labels:
ইসলামী,
খবর,
বাস্তবতা,
মুসলিম মানস,
রাজনীতি,
সাম্প্রদায়িকতা
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

0 comments:
Post a Comment