সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর এবং চাকদহ গ্রামে ইসলামীরা হিন্দুদের বাড়িঘর ভাঙচুর, লুট করে পুড়িয়ে দিয়ে ধ্বংস করেছে। ফতেপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ২৬ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠানে ডিগ্রী বাংলা বইয়ে থাকা 'হুজুর কেবলা' এর নাট্যরূপ মঞ্চস্থ করেছে ছাত্ররা। মূল নাটকে কি আছে তা জানিনা। কিন্তু বলা হচ্ছে যে নাটকে মোহাম্মদ নবী সম্পর্কে অশোভন কথা বলার কারণে জনগণ ক্ষেপে গেছে এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো ঘটেছে।
আমার প্রশ্ন হল এখানে হিন্দুদের ভূমিকা কি ছিল? আরব নামক একটি বিদেশের নবি মোহাম্মদের চরিত্র যে কতটা নোংরা তা আমরা সকলেই জানি। বাংলাদেশের মানুষ ভদ্র, সহজে অন্যকে খারাপ কথা বলে না। এছাড়াও আরবের দালালদের ভীতি প্রদর্শনের ব্যাপার তো আছেই। তাই মোহাম্মদ সম্পর্কে বাংলার মানুষ মুখ খোলেনা। তারা বলে যে মোহাম্মদের খারাপ দিকগুলো বাদ দিয়ে তার ভাল দিকগুলো আমরা আলোচনা করব। এর মধ্যে কেউ কেউ প্রতিবাদী আছে, সত্যসন্ধানী তরুণ আছেন, যারা সত্য জানতে চায়। মিথ্যার চাদরে ঢাকা প্রতারণার উন্মোচন করতে চায়। আরবের মোহাম্মদ সম্পর্কে আমাদের বাংলাদেশে যত প্রচার প্রপাগান্ডা চালানো হয়, আরব দেশে আমাদের বাঙালি প্রতিভাবানদেরকে কিন্তু ততটা সম্মান করা হয় না। বলা যায়, তাদের দেশে আমাদের দেশের বিখ্যাত ব্যক্তিদের কোন মর্যাদাই নাই।
সাতক্ষীরায় একটি নাটকে তরুণরা সত্যি উন্মোচন করতে চেয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। আধুনিক যুগের যুক্তিপ্রবণ তরুণদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ, ইসলাম, নবি ইত্যাদি সম্পর্কে সত্যি যা তা জানবার আগ্রহ হতেই পারে। তাতেই মুসলিমদের গা চুলকানি শুরু হয়ে গেছে? ইসলাম নাকি শান্তির ধর্ম, সহনশীলতার ধর্ম? এসব ঘটনা কিসের প্রমাণ দেয়? কোন কোন গরু হয়তো বলবে এরকম দু'একটা উদাহরণ দিয়ে ইসলামকে বিচার করা ঠিক নয়। এদের মুখে লাথি মারা দরকার।
মোহাম্মদ নিজে ছিল সহিংস, আক্রমণকারী। নিজের সামান্যতম সমালোচনা সে সহ্য করত না। সামান্যতম বিরূপ মন্তব্যকেও হিংস্রতা দিয়ে প্রতিরোধ করেছে। তার উম্মতরা, তার যথার্থ অনুসারীরা ঠিক তার মতই আচরণ করেছে। এই আরকি। ১২টি হিন্দু পরিবারে আক্রমণ করা হয়েছে। তাদের ঘরবাড়ি লুটতরাজ করে ভাঙচুর করা হয়েছে। কিন্তু 'আমার দেশ', 'নয়াদিগন্ত' এইসব পত্রিকায় সে কথা নেই। মোহাম্মদকে নিয়েই তাদের যত মাথাব্যাথা। দেশে বসে বিদেশের দালালির এর চেয়ে ভাল উদাহরণ আর কি কিছু হতে পারে?
Wednesday, April 4, 2012
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

0 comments:
Post a Comment