![]() |
| নালন্দার ছাত্রাবাস, পাঠকক্ষ |
![]() |
| নালন্দার গ্রন্থাগার |
পারস্যের ইতিহাসবিদ 'মিনহাজ' তার 'তবকাত ই নাসিরি' গ্রন্থতে বখতিয়ার খিলজির নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসের কাহিনী পুঙ্খানুপুঙ্খ লিপিবদ্ধ আছে। বখতিয়ার বৌদ্ধধর্মকে সমূলে উৎপাটন করে ইসলামকে প্রতিষ্ঠার জন্য শিক্ষক-ছাত্রকে হত্যা, লাইব্রেরির হাজার হাজার বইয়ে আগুন, নালন্দার স্থাপনা ভাঙচুর ইত্যাদি হিংসাত্মক কাজ করেছে।
বাংলা উইকিপিডিয়াতে আছে:-
নালন্দা পৃথিবীর প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি এবং এটি ইতিহাসের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেও একটি। এর স্বর্ণযুগে ১০,০০০ এর অধিক শিক্ষার্থী এবং ২,০০০ শিক্ষক এখানে জ্ঞান চর্চা করত। একটি প্রধান ফটক এবং সুউচ্চ দেয়ালঘেরা বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপত্যের একটি মাস্টারপিস হিসেবে সুপরিচিত ছিল।বিশ্ববিদ্যালয়ে আটটি ভিন্ন ভিন্ন চত্বর(compound) এবং দশটি মন্দির ছিল; ছিল ধ্যান করার কক্ষ এবং শ্রেনীকক্ষ। প্রাঙ্গনে ছিল কতগুলো দীঘি ও উদ্যান। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগারটি ছিল একটি নয়তলা ভবন যেখানে পাণ্ডুলিপি তৈরি করা হত অত্যন্ত সতর্কতার সাথে। তৎকালীন জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখাতেই চর্চার সুযোগ থাকায় সুদূর কোরিয়া, জাপান, চীন, তিব্বত, ইন্দোনেশিয়া, পারস্য এবং তুরস্ক থেকে জ্ঞানী ও জ্ঞান পিপাসুরা এখানে ভীড় করতেন।[২] চীনের ট্যাং রাজবংশের রাজত্বকালে চৈনিক পরিব্রাজক জুয়ানঝাং ৭তম শতাব্দিতে নালন্দার বিস্তারিত বর্ণনা লিখে রেখে গেছেন।আরবীয় আধিপত্যবাদী সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের খুনে সৈনিক বখতিয়ার খিলজি বাংলাদেশের অনেক মুসলমানের কাছে বীর হিসেবে সম্মানিত। বাংলাদেশী মুসলমানদের কাছে জ্ঞানচর্চার পরিবেশের চাইতে অন্ধকার, বর্বরতা, অন্ধত্ব বেশি কাম্য। তারা কিন্তু বিশ্বের ইতিহাসে একটাও জ্ঞানচর্চার উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করতে পারেনি।
মুক্তমনা ওয়েবসাইটে "নালন্দার ধ্বংস বনাম ধর্মীয় বিজয়" শীর্ষক লেখাটি পড়ছিলাম। পড়তে গিয়ে তিন নং মন্তব্যের ঘরে একটি কবিতা পেলাম। লিখেছেন 'সেন্টু ঠিকাদার'। কবিতাটি ভাল লেগেছে, তাই এই ব্লগে লিঙ্ক স্বীকার করে রেখে দিলাম।
কোথায় সেই তক্ষশীলাআর কোথায় সেই নালন্দা,কোথায় সুশীতল শাল বনেঢাকা প্রশান্তির সেই বিহার।কোথায় সেই সারগর্ভ বাণীআর আকাট্য জ্ঞান।কোথায় আমাদের সেইবিশ্ব শান্তির বাণীময় পূর্বজরা।শুধু ভেবে এতেই পাই শান্তি যেতাহাদের সেই লোহিত কণিকাহায় বইছে আমাদেরই ধমনীতে,যুগে যুগে নিস্তেজ বা নিস্প্রাণ,জাতপাতের আঘাতে মূমূর্ষ হয়ে।
কবির অনুভূতির গভীরতা মন ছুঁয়ে যায়। হাজার বছরের জ্ঞানচর্চার ইতিহাস রক্তের কণায় আড়মোড়া ভাঙে। অতীত ইতিহাস স্পষ্ট হয়ে চোখের সামনে মূর্ত হয়ে ওঠে।
নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে



1 comments:
নালন্দার ইতিহাস জানি। মুসলমানরা জ্ঞানকে কতটা ভয় পায়- এই ঘটনা তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ। এই জন্যই মুসলমানরা এই পৃথিবীতে র্ববর জাতি হিসেবে পরিচিত।
Post a Comment