# প্লানচেট করে আনা মোহাম্মদের আত্মা চারটি বিয়ে পূরণের জন্য আরেকটি বিয়ের কথা জানালে বৃদ্ধ পীর তার অধিক বয়সের কথা জানান।
তখন নবির রূহ বলেছিলঃ "আমি ষাট বৎসর বয়সে নবমবার বিবাহ করিয়াছিলাম।"# পীর সাহেব কোন এক বৃদ্ধাকে বিয়ে করার কথা জানালে মোহাম্মদের আত্মা পীরের স্ত্রীর ছবি বেহেশতে দেখেছেন বলে জানান। আর সে হল মুরিদ রজবের স্ত্রী কলিমন।
পীর বেটার বউ এর শামিল বললে মোহাম্মদের আত্মা বলে যে সে নিজেও তার পালিত পুত্র যায়েদের স্ত্রীকে নিকাহ করেছিল আর এ তো একজন মুরিদের স্ত্রী।'হুযুর কেবলা' গল্পে বাক্যগুলো ঠিক এভাবে আছে। মূল কাহিনীটি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। লক্ষ্য করুন। কথাগুলো কিন্তু একটাও মিথ্যা নয়। মোহাম্মদের আত্মা নামানোর কাজটি এযুগেও পীরেরা করে থাকে। আমাদের পাশের গ্রামে হয়েছিল।
মোহাম্মদের আত্মা পীরসাহেবকে আরেকটি নতুন বিয়েতে রাজী করানোর জন্য প্রথমে তার বিরুদ্ধে শরিয়ত অবহেলার অভিযোগ করেছেন। কারণ তার শরিয়ত মোতাবেক চার বিবি নেই। তিনটি বিবি আছে। অতএব শরীয়ত পূরণ করার জন্য এখন তাকে আরেকটি বিয়ে করতে হবে। তারপর পীরকে বিয়েতে রাজী করানোর জন্য পীরের বলা অজুহাতগুলোকে নিজের জীবনের উদাহরণ দেখিয়ে খণ্ডন করেছেন।
আর মোহাম্মদের আত্মার মুখ দিয়ে বলা কথাগুলো একটাও তো মিথ্যে নয়। সত্যিই তো মোহাম্মদ বৃদ্ধ বয়সে বিয়ে করেছে। সত্যি তো সে পালিত সন্তানের সুন্দরী স্ত্রীকে বিয়ে করেছে। এই কথাগুলো তো মিথ্যে নয়।
বাংলাদেশের মুসলমানরা নিজেকে বলে থাকে "শুনিয়া মুসলমান"। কথাটি মিথ্যে নয়। তারা পড়াশোনায় তোমন গভীর নয়। ইসলাম সম্পর্কে যা কিছু জানে, তার বেশিরভাগই এর ওর কাছে থেকে শুনে। নিজের ব্যক্তিজীবন চালায় বাঙালি, ভারতীয়, পাকিস্তানী, বিলেতি, আমেরিকান ইত্যাদি সংস্কৃতির এক মিশ্র সংস্কৃতি দিয়ে। আর ইসলামকে রাখে পরকালের রক্ষাকবচ হিসেবে। আমার ধারণা মোহাম্মদ যে সত্যিই তার পুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করেছে একথা অনেক মুসলমানই জানেনা।

0 comments:
Post a Comment