আল খাওয়ারিজমি (খারিজমি) যখন খলিফা হারুন অর রশিদের 'জ্ঞানগৃহে'র পণ্ডিতবর্গের সাথে যোগ দিলেন, তখন প্রচুর পরিমাণ বই দেখে খুব খুশি হয়েছিলেন। অন্যান্য পন্ডিতগণ যে বইগুলো গ্রিক ও বাইজানটাইন ভাষা থেকে আরবিতে রূপান্তর করা হয়েছে সেগুলো পরার প্রতি আগ্রহী ছিল। কিন্তু আল খাওয়ারিজমির আগ্রহ ছিল ভারতবর্ষ থেকে আনা সংস্কৃত বইপত্রসমূহের দিকে। তিনি খলিফা আল মামুনের পিতা মৃত হারুন অর রশিদের সময়কালে ভারতবর্ষ নিয়ে আসা ও আরবি ভাষাতে রূপান্তর করা বইগুলো পাঠাগারের সংগ্রহশালা থেকে উত্তোলন করতেন। তিনি সংস্কৃত সাহিত্যের অনেক বই পড়েছেন। কিন্তু সবচাইতে প্রভাবিত হয়েছেন 'ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত' বইটি দ্বারা। হিন্দু মহাকাশবিজ্ঞানী ব্রহ্মগুপ্তের লিখিত মহাকাশ ও গণিত বিষয়ক এই রচনাটি আল খাওয়ারিজমির সামনে জ্ঞানের এক বিশাল আলোকিত জগত খুলে দেয়।
আধুনিক যুগকেও সমানতালে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছে যে আবিষ্কার সেই গাণিতিক তত্ত্বের উদ্ভাবন একমাত্র এই অনন্য বইটির স্পর্শেই ঘটেছে। আল খাওয়ারিজমি এই বইটি পাঠ করেছেন বলেই পশ্চিমা গণিতের সামনে ভারতীয় সংখ্যাতত্ত্বের দিগন্ত খুলে গিয়েছিল। আল খাওয়ারিজমি বিদেশী সংখ্যার চিহ্নকে আরবিয় সংখ্যায় পরিবর্তন করেন। প্রত্যেকদিন তিনি এমন সব আইডিয়া, ভাবনা চিন্তা 'ব্রহ্মস্ফুট' বইটি থেকে উদ্ধার করেন যে, নাওয়া খাওয়া ভুলে তিনি চিন্তামগ্ন হয়ে যেতেন। শেষ পর্যন্ত তিনি অনুধাবনের মেঘমুক্ত আকাশের দেখা পান। প্রথমে তিনি গাণিতিক পরিমাণকে প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত ভারতীয় পদ্ধতির সংখ্যাচিহ্নকে আবিষ্কার করেছেন। সমসাময়িক সময়ে ভূমধ্যসাগরীয় এবং মেসোপটেমিয় অঞ্চলে গাণিতিক পরিমাপক সংখ্যা বোঝানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হত। এদের মধ্যে একটি হল যৌগিক উচ্চারন পদ্ধতি, সংখ্যাগুলোকে শব্দ দিয়ে বোঝানো এবং আরেকটি ছিল হাতের আঙ্গুলে গণনা করার পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটিতে অবশ্য চীনের অ্যাবাকাশের মত বহুমুখী সুবিধা আছে। কিন্তু এর মাধ্যমে আকাশের তারাগুলোর বিমূর্ত অবস্থানকে বোঝানোর মত জটিল দায়িত্ব পালন করতে পারতো না। শেষ পর্যন্ত রোমান গাণিতিক পদ্ধতির আগমন ঘটে।
আল খাওয়ারিজমি যখন ব্রহ্মগুপ্তের বইটি তার সামনে মেলে ধরলেন, তখন ভারতীয় সংখ্যা বিজ্ঞানের এক অনবদ্য নিদর্শণকে প্রত্যক্ষ করলেন। এই সংখ্যা বিজ্ঞানের ১ থেকে ১০ এবং এই অংকগুলোর পারস্পরিক বিন্যাসে বিশাল-ব্যাপক-সীমাহীন সংখ্যাকে প্রকাশ করার সামর্থ রাখে। এই নতুন ধরণের গণনাপদ্ধতি তাকে বিস্ময়াভূত এবং কৌতুহলী করে তুলল। জটিল থেকে জটিলতর গাণিতিক সংখ্যাকে প্রকাশে এই দশমিক পদ্ধতিটি যে কতোটা নির্ভরযোগ্য তা আল খাওয়ারিজমি আবিষ্কার করে ফেললেন। এই হিন্দু সংখ্যা চিহ্ন ও গাণিতিক পদ্ধতিটির সহজবোধ্যতা তিনি উপলব্ধি করতে পারলেন।
তিনি নিজের গণিত বিষয়ক ভাবনা-চিন্তা গবেষণা প্রকাশের জন্য এই হিন্দু সংখ্যা চিহ্ন ও দশমিক পদ্ধতি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিলেন। এখন এটা বেশিরভাগ মানুষ জানে যে হিন্দু-ভারতীয় সংখ্যাচিহ্নকেই হিন্দু-আরবিয় সংখ্যাচিহ্ন বলে ডাকা হয়। পরবর্তীতে ইসলামি স্পেন দিয়ে এই গাণিতিক পদ্ধতিটি ইউরোপে প্রবেশ করে। এর নির্ভরযোগ্যতা, প্রাঞ্জলতা এবং আন্তর্জাতিক উপযোগিতা সকলের নিকট গ্রহণযোগ্যতা পায়। কিন্তু এর হিন্দু পরিচিতি লুকানো থেকে যায়। কারণ আল খাওয়ারিজমি তার রচনাতে একবারও ব্রহ্মগুপ্তের নিকট কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেননি।
ব্রহ্মগুপ্তের রচনাতে একটি কালো বিন্দুর মত গোলাকার চিহ্নের কথা ছিল। আল খাওয়ারিজমি যখন অনুবাদককে এর অর্থ জিজ্ঞাসা করলেন, তখন অনুবাদক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বললেন যে, তার অর্থ 'কিছু নেই'। প্রথমে একে রসিকতা ভেবেছিলেন, পরে অনুবাদকরা আরও ব্যাখ্যা করে জানালেন যে, এই বিন্দু শূন্যতা, অস্থিত্বহীনতা, কোন কিছু না থাকাকে বোঝায়। আল খাওয়ারিজমি এই বিষয়টি বুঝতে পেরে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। শূন্যের রহস্যময়তা ও ভারমুক্ততা ইত্যাদি অর্থ জেনে তিনি উত্তেজিত ও বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
সমগ্র সভ্যতার এটা সৌভাগ্য যে আল খাওয়ারিজমি খুব দ্রুত এই বিদেশী চিহ্ন ও তত্ত্বকে অনুধাবন করে নিজের মত করে গ্রহণ করতে পেরেছিলেন। যদি তিনি একাজে সফল না হতেন, তাহলে পৃথিবীর ইতিহাস অন্যরকম হত। আধুনিক সভ্যযুগ হয়তো এত দ্রুত আসতো না। আল খাওয়ারিজমি জ্ঞান বিতরণের ফলে পাওয়া সুবিধার গুরুত্ব ভালভাবে জানতে। তিনি হয়তো ইসলামি দস্যুতের হাতে ভারতে ধ্বংসের দৃশ্য অনুমান করতে পেরেছিলেন। তিনি হয়তো তার দূরদর্শি দিব্যদৃষ্টি দিয়ে অবহেলা ও অযত্নে পোকার পেটে যাওয়া খলিফার লাইব্রেরির বইগুলো দেখতে পেয়েছিলেন। তাই তিনি নিজে আত্মস্ত করে হিন্দু সংখ্যারীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন এবং নিজের গণিত বিষয়ক গবেষণাসমূহে তা ব্যবহার করে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন। আল খাওয়ারিজমি তাই ব্রহ্মগুপ্তের 'ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত' গ্রন্থের আরবি নামকরণ করেছেন 'সিন্ধহিন্দ'। আর এর মাধ্যমে তিনি হিন্দু জ্ঞানচর্চার ইতিহাসের নিকট তার কৃতজ্ঞতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এটাতো সহজেই অনুমেয় যে 'সিন্ধ' শব্দটি সংস্কৃতি 'সিদ্ধান্ত' এবং 'হিন্দ' শব্দটি 'হিন্দু' অথবা 'হিন্দুত্ব' শব্দ থেকে নেয়া হয়েছে। আজকের মুসলিম পন্ডিতদের এই সত্যকে অস্বীকার করার প্রবণতা দেখে বিস্ময় জাগে। তারা বলে যে, আধুনিক সংখ্যা কোন হিন্দু সংখ্যা নয়, এগুলোর উৎস খাঁটি আরবিয়। তাই বোধহয় একজন মুসলিম লেখক রসিকতা করে লিখেছিলেন- "বিশ্বসভ্যতায় আরবিয় অংশগ্রহণের চিত্র খুবই স্পষ্ট। লেখার পদ্ধতিতে সংখ্যা লেখার ক্রমপদ্ধতির ধারণার উৎস আরব। কার এখানে ডান থেকে বামে লেখার নিয়ম আছে। আর এই নীতি অনুযায়ী পাঁচশত সংখ্যাটি ইংরেজিতে লেখা উচিত ০০৫ এর মতো করে, ৫০০ এর মতো করে নয়; কারণ ইংরেজি ভাষায় বাম থেকে ডানে বর্ণ লেখা হয়।"
গাণিতিক সংখ্যা ও দশমিক পদ্ধতির আবিষ্কারক নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, আশা করি বুদ্ধিমান পাঠক পরিবেশিত তথ্য বিবেচনা করে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
পূর্বপাঠ
সূত্র: Dr Radhasyam Brahmachari এর How Muslims carried Hindu Wisdom to the West, Part 2। লিংক
আধুনিক যুগকেও সমানতালে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছে যে আবিষ্কার সেই গাণিতিক তত্ত্বের উদ্ভাবন একমাত্র এই অনন্য বইটির স্পর্শেই ঘটেছে। আল খাওয়ারিজমি এই বইটি পাঠ করেছেন বলেই পশ্চিমা গণিতের সামনে ভারতীয় সংখ্যাতত্ত্বের দিগন্ত খুলে গিয়েছিল। আল খাওয়ারিজমি বিদেশী সংখ্যার চিহ্নকে আরবিয় সংখ্যায় পরিবর্তন করেন। প্রত্যেকদিন তিনি এমন সব আইডিয়া, ভাবনা চিন্তা 'ব্রহ্মস্ফুট' বইটি থেকে উদ্ধার করেন যে, নাওয়া খাওয়া ভুলে তিনি চিন্তামগ্ন হয়ে যেতেন। শেষ পর্যন্ত তিনি অনুধাবনের মেঘমুক্ত আকাশের দেখা পান। প্রথমে তিনি গাণিতিক পরিমাণকে প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত ভারতীয় পদ্ধতির সংখ্যাচিহ্নকে আবিষ্কার করেছেন। সমসাময়িক সময়ে ভূমধ্যসাগরীয় এবং মেসোপটেমিয় অঞ্চলে গাণিতিক পরিমাপক সংখ্যা বোঝানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হত। এদের মধ্যে একটি হল যৌগিক উচ্চারন পদ্ধতি, সংখ্যাগুলোকে শব্দ দিয়ে বোঝানো এবং আরেকটি ছিল হাতের আঙ্গুলে গণনা করার পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটিতে অবশ্য চীনের অ্যাবাকাশের মত বহুমুখী সুবিধা আছে। কিন্তু এর মাধ্যমে আকাশের তারাগুলোর বিমূর্ত অবস্থানকে বোঝানোর মত জটিল দায়িত্ব পালন করতে পারতো না। শেষ পর্যন্ত রোমান গাণিতিক পদ্ধতির আগমন ঘটে।
আল খাওয়ারিজমি যখন ব্রহ্মগুপ্তের বইটি তার সামনে মেলে ধরলেন, তখন ভারতীয় সংখ্যা বিজ্ঞানের এক অনবদ্য নিদর্শণকে প্রত্যক্ষ করলেন। এই সংখ্যা বিজ্ঞানের ১ থেকে ১০ এবং এই অংকগুলোর পারস্পরিক বিন্যাসে বিশাল-ব্যাপক-সীমাহীন সংখ্যাকে প্রকাশ করার সামর্থ রাখে। এই নতুন ধরণের গণনাপদ্ধতি তাকে বিস্ময়াভূত এবং কৌতুহলী করে তুলল। জটিল থেকে জটিলতর গাণিতিক সংখ্যাকে প্রকাশে এই দশমিক পদ্ধতিটি যে কতোটা নির্ভরযোগ্য তা আল খাওয়ারিজমি আবিষ্কার করে ফেললেন। এই হিন্দু সংখ্যা চিহ্ন ও গাণিতিক পদ্ধতিটির সহজবোধ্যতা তিনি উপলব্ধি করতে পারলেন।
তিনি নিজের গণিত বিষয়ক ভাবনা-চিন্তা গবেষণা প্রকাশের জন্য এই হিন্দু সংখ্যা চিহ্ন ও দশমিক পদ্ধতি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিলেন। এখন এটা বেশিরভাগ মানুষ জানে যে হিন্দু-ভারতীয় সংখ্যাচিহ্নকেই হিন্দু-আরবিয় সংখ্যাচিহ্ন বলে ডাকা হয়। পরবর্তীতে ইসলামি স্পেন দিয়ে এই গাণিতিক পদ্ধতিটি ইউরোপে প্রবেশ করে। এর নির্ভরযোগ্যতা, প্রাঞ্জলতা এবং আন্তর্জাতিক উপযোগিতা সকলের নিকট গ্রহণযোগ্যতা পায়। কিন্তু এর হিন্দু পরিচিতি লুকানো থেকে যায়। কারণ আল খাওয়ারিজমি তার রচনাতে একবারও ব্রহ্মগুপ্তের নিকট কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেননি।
ব্রহ্মগুপ্তের রচনাতে একটি কালো বিন্দুর মত গোলাকার চিহ্নের কথা ছিল। আল খাওয়ারিজমি যখন অনুবাদককে এর অর্থ জিজ্ঞাসা করলেন, তখন অনুবাদক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বললেন যে, তার অর্থ 'কিছু নেই'। প্রথমে একে রসিকতা ভেবেছিলেন, পরে অনুবাদকরা আরও ব্যাখ্যা করে জানালেন যে, এই বিন্দু শূন্যতা, অস্থিত্বহীনতা, কোন কিছু না থাকাকে বোঝায়। আল খাওয়ারিজমি এই বিষয়টি বুঝতে পেরে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। শূন্যের রহস্যময়তা ও ভারমুক্ততা ইত্যাদি অর্থ জেনে তিনি উত্তেজিত ও বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
সমগ্র সভ্যতার এটা সৌভাগ্য যে আল খাওয়ারিজমি খুব দ্রুত এই বিদেশী চিহ্ন ও তত্ত্বকে অনুধাবন করে নিজের মত করে গ্রহণ করতে পেরেছিলেন। যদি তিনি একাজে সফল না হতেন, তাহলে পৃথিবীর ইতিহাস অন্যরকম হত। আধুনিক সভ্যযুগ হয়তো এত দ্রুত আসতো না। আল খাওয়ারিজমি জ্ঞান বিতরণের ফলে পাওয়া সুবিধার গুরুত্ব ভালভাবে জানতে। তিনি হয়তো ইসলামি দস্যুতের হাতে ভারতে ধ্বংসের দৃশ্য অনুমান করতে পেরেছিলেন। তিনি হয়তো তার দূরদর্শি দিব্যদৃষ্টি দিয়ে অবহেলা ও অযত্নে পোকার পেটে যাওয়া খলিফার লাইব্রেরির বইগুলো দেখতে পেয়েছিলেন। তাই তিনি নিজে আত্মস্ত করে হিন্দু সংখ্যারীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন এবং নিজের গণিত বিষয়ক গবেষণাসমূহে তা ব্যবহার করে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন। আল খাওয়ারিজমি তাই ব্রহ্মগুপ্তের 'ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত' গ্রন্থের আরবি নামকরণ করেছেন 'সিন্ধহিন্দ'। আর এর মাধ্যমে তিনি হিন্দু জ্ঞানচর্চার ইতিহাসের নিকট তার কৃতজ্ঞতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এটাতো সহজেই অনুমেয় যে 'সিন্ধ' শব্দটি সংস্কৃতি 'সিদ্ধান্ত' এবং 'হিন্দ' শব্দটি 'হিন্দু' অথবা 'হিন্দুত্ব' শব্দ থেকে নেয়া হয়েছে। আজকের মুসলিম পন্ডিতদের এই সত্যকে অস্বীকার করার প্রবণতা দেখে বিস্ময় জাগে। তারা বলে যে, আধুনিক সংখ্যা কোন হিন্দু সংখ্যা নয়, এগুলোর উৎস খাঁটি আরবিয়। তাই বোধহয় একজন মুসলিম লেখক রসিকতা করে লিখেছিলেন- "বিশ্বসভ্যতায় আরবিয় অংশগ্রহণের চিত্র খুবই স্পষ্ট। লেখার পদ্ধতিতে সংখ্যা লেখার ক্রমপদ্ধতির ধারণার উৎস আরব। কার এখানে ডান থেকে বামে লেখার নিয়ম আছে। আর এই নীতি অনুযায়ী পাঁচশত সংখ্যাটি ইংরেজিতে লেখা উচিত ০০৫ এর মতো করে, ৫০০ এর মতো করে নয়; কারণ ইংরেজি ভাষায় বাম থেকে ডানে বর্ণ লেখা হয়।"
গাণিতিক সংখ্যা ও দশমিক পদ্ধতির আবিষ্কারক নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, আশা করি বুদ্ধিমান পাঠক পরিবেশিত তথ্য বিবেচনা করে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
পূর্বপাঠ
- ভারতীয় সংখ্যাতত্ত্বের প্রাচীনত্বের নিদর্শণ
- বিশ্ব সভ্যতার সুতিকাগার ভারতবর্ষ
- যে মানুষটি হিন্দু সংখ্যাকে পশ্চিমের সাথে পরিচিত করে দিয়েছেন
সূত্র: Dr Radhasyam Brahmachari এর How Muslims carried Hindu Wisdom to the West, Part 2। লিংক

3 comments:
informative post.
নতুন তথ্য পেলাম। দেখি যাচাই করে সঠিক না বেঠিক।
মন্তব্য করার জন্য আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ। আল খাওয়ারিজমি যে সংস্কৃত ভাষায় লিখিত ভারতীয় হিন্দু পণ্ডিত মহাকাশবিজ্ঞানী ব্রহ্মগুপ্তের লিখিত ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত' বই থেকে শূন্যের ধারনা পেয়েছেন এটা আজ আর কোন সুশিক্ষিত মানুষ অস্বীকার করে না।
Post a Comment