Wednesday, September 12, 2012

ইসলাম সম্পর্কে কিছু কথা

হিন্দু সভ্যতায় যেমন বিখ্যাত বিখ্যাত মহামানব ছিলেন। ছিলেন রাজারা। ছিল নৃতাত্ত্বিক ও শৈল্পিক নিদর্শণ, ছিল ধ্র“পদী সুরের সাধনা। যন্ত্রশিল্পে, কৃষিতে, অস্ত্রশিল্পে, অস্ত্রবিদ্যায়, রাজনীতিতে, দর্শনে, চিকিৎসা শাস্ত্রে, অংকশাস্ত্রে, জ্যোতির্বিদ্যায়, জ্যোতিষশাস্ত্রে, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে, নগর পরিকল্পনায়, যানবাহনাদিতে, অর্থনীতি বা ব্যবসায় এমন প্রচুর বিষয়ে ছিল প্রভূত উন্নতি। সেই সময়েই ছিল আদি সুরশৈলী, উচ্চ মার্গের নৃত্যের বিকাশ।
আর এ ধরণের সভ্যতা শুধুমাত্র হিন্দু সভ্যতাতেই ছিল এমন নয়। পৃথিবীর প্রাচীনকালে এমন পুরনো ধর্মাশ্রিত দেশগুলোর বেশিরভাগই ছিল এমন উন্নত। একথা গ্রীক সভ্যতায় যেমন সত্য, তেমন সত্য মায়া, আজটেক, লিডিয়া, মিশর প্রভৃতি সভ্যতার বেলায়।
ইসলাম ধর্মের কি এমন বিজয়গর্ব ও ঐতিহ্যের নিদর্শণ বা মতামত আছে?
অন্যান্য ধর্মের সাথে এমন মডেল সভ্যতার তুলনা হিসাবে আমরা ভাবতে পারি সেই আশ্রম কেন্দ্রিক, জ্ঞানাশ্রয়ী শিক্ষা ব্যবস্থার কথা। কিংবা পরবর্তীতের নালন্দা বিশ্বাবিদ্যালয়ের কথা; এ ছাড়া রাগসঙ্গীত(আদি বিভিন্ন রাগ), যন্ত্রসঙ্গীত(সেতার, বাঁশি, তবলায় প্রভৃতিতে), নৃত্য(ভারতনাট্যম, কথাকলি), কারুশিল্প(অজন্তা, ইলোরা), অস্ত্র(বজ্রাস্ত্রগুলো), যানবাহন(রথ-ভূচারী/আকাশচারী), প্রকৌশলবিদ্যা(মন্দির ছাড়াও বিশাল বিশাল রাজকীয় প্রাসাদ, দূর্গ, অতিথিশালা, রঙ্গমঞ্চালয়, বাঁধ), সাহিত্যকীর্তি(বেদ, রামায়ণ, মহাভারত), দর্শন (ষড়দর্শন, চার্বাক, ব্রহ্মা, বাল্মিকী, বশিষ্ঠ প্রমূখ মুণিঋষিগণ), অংকশাস্ত্র(আর্যভট্ট), রাজনীতি(কৌটিল্য), চিকিৎসাবিদ্যা(ধনন্তরি বা আয়ুর্বেদীয় মতসমূহ, বাৎসায়ন), জ্যোতির্বিদ্যা(আর্যভট্ট, চরক, সুশ্র“ত প্রমূখ)- এর কথা। বর্তমানকালের ব্যক্তিবর্গ- রামানুজম, জগদীশচন্দ্র, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র, সত্যেন বোস (দুজন মুসলমান আছে, তাও একজন ভারতীয়- সালিম আলি, আর একজন কাদিয়ানী অর্থাৎ মুসলমান নয়- প্রফেসর সালাম) এমন প্রমানমূখী ও প্রমাণিত ঐতিহাসিক প্রমান রয়েছে অন্যান্য ধর্মেও। আমরা ভাবতে পারি গ্রীস এর ক্ষেত্রে- জিউস, ভেনাস, আফ্রোদিতি, হেরা, প্রমিথিউস, একিলিউস, হেকটর, হেলেন; যুদ্ধ(ট্রয়ের যুদ্ধ), সাহিত্য(ওডেসী, ইলিয়াড), পরবর্তী সময়ে নিউটন, রাদারফোর্ড, গীয়ম অ্যাপোলোনিয়র, ল্যাভয়েশিয়ে, লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি, গ্যালিলিও, কোপারনিকাস, ম্যাগেলান, কলম্বাস, ভাস্কো ডা গামা, ক্যাপ্টেন কুক প্রমূখ। বর্তমানে এডিসন, আইনস্টাইন, রাইট ব্রাদার্স, হেনরী ফোর্ড, চার্লস ব্যাবেজ প্রমূখ। ইনকা, আজটেক(স্বর্ণশিল্প নগরশিল্প, দর্শন, স্টেপ পিরামিড), মিশর(ফারাও, হায়ারোগ্লিফিকস, মমি, পিরামিড), চীন(দর্শন-তাও, কনফুসিয়াস, লাওৎসে, প্রাচীর), জাপান(শিন্টো) এমন অনেক কিছুর কথা ভাবতে পারি।
কিন্তু ইসলামের ক্ষেত্রে এমন কোন অতীত গৌরবগাঁথা আমরা উল্লেখ করতে পারিনা। ইসলামের সময়ে মোহাম্মদ, কাবাঘর, যুদ্ধ, বহুবিবাহ, দু’চারজন রুটিভোজী খেজুরের পাতাশ্রয়ী, পর্ণকুটিরবাসী খলিফা, তারপর রাজ্য জয়(হত্যা) বিভিন্ন দেশে গমন, দেশশাসন, প্রাচীন ধর্ম ও সভ্যতার ধ্বংস, বৃটিসদের মতো অর্থসম্পদ না নিয়ে গেলেও ধর্ম দিয়েছে চাপিয়ে। ফলে কয়েকশো বছরের নিশ্চিন্ত রাজ্যশাসন। অলস মাথার বুদ্ধিতে শেষে উর্বর প্রসব তাজমহল ও দ্বীন-এ-এলাহী। এছাড়া কিছু নিস্ফল যুদ্ধ, বিচ্ছিন্ন সময়ে বালকোচিত মানসিকতায় প্রস্তুত অশৈল্পিক মুদ্রাব্যবস্থা-এমন কয়েকটি মাত্র কিছু নিদর্শণ ছাড়া আর কিছুই নেই। ইসলাম তৈরী করেছে হারেম। হিন্দু সময়ে মন্দিরে সেবাদাসী নামক যৌন সিস্টেম চলতো কিন্তু এটা কখনো কুৎসিত দৃষ্টিতে দেখা হয়নি। এটা ছিল পূজামাধ্যম-শিল্পরক্ষা-সৌন্দর্যরক্ষা-ঐতিহ্যরক্ষা-একাকী বসবাসরত পূজারীর মনোরঞ্জন। ছিল বাঈজী প্রথা কিন্তু তা ছিল পূজা-সঙ্গীত বা নৃত্য-সৌন্দর্য চর্চা। কিন্তু এর বহিপ্রকাশ কখনও হেরেমের মত কুৎসিত ছিলনা।
বলা হয়ে থাকে কোরান হচ্ছে জ্ঞানের আকর। পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞান পুঞ্জিভূত রয়েছে কোরানে। অথচ ট্রাজেডীর ব্যপার হচ্ছে জ্ঞানচর্চায় বা বিকাশে ইসলাম অনুসারীদের কোন কৃতিত্ব নাই। (মোহাম্মদ স্বয়ং আল্লার বন্ধুত্বের দাবিদার হয়েও মাটির তলা থেকে একফোঁটা তেল তুলতে পারেননি) যে দুয়েকটা নাম শোনা যায়, তাদেরকে তাদের সময়ে করা হয়েছিল অত্যাচার। এটা যীশু(খ্রিস্টান ধর্ম), মুসা(মোজেস, ইহুদী ধর্ম) থেকে শুরু করে ইবনে সিনা এবং ইদানীং কালে নজরুলের ক্ষেত্রেও সত্য। তাই জ্ঞানের সাধক হিসাবে নয়, এতিমখানার পালকের মত হিন্দু সভ্যতার দূর্যোগে হিন্দু সভ্যতাকে ধারণ করে তা ইউরোপীয়দের মাঝে ছড়িয়ে নিজেদের আলোকপ্রাপ্তির পাশাপাশি ইউরোপে অন্ধকার কোনে আলোককণা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এটাই তাদের কৃতিত্ব। একথা ঐতিহাসিকভাবেই সত্য প্রমানীত। এছাড়াও বলা হয় পূর্ণঙ্গ জীবন বিধান হল ইসলাম এবং এর অর্থ শান্তি। ক্ষয়িষ্ণু চাঁদের প্রতীক ধারণ করে মুসলমানরা পারেনি এই তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করতে। এখনও ইসলামকেন্দ্রিক দেশগুলোতেই কান্না বেশি। তারপরও এদের চীৎকার বেশি। এটা কি অল্পপয়সা বাজে বেশি টাইপের হয়ে গেল না। তা না হলে ইসলাম নামাঙ্কিত সব ক্ষেত্রে এত স্ববিরোধীতা চলতো না। পুরানা কালের কথা বাদ দেই (ইসলামের অত্যাচারের কারনেই কোন লাইব্রেরি গড়ে ওঠেনি, ওঠেনি জ্ঞানচর্চাকেন্দ্র, তাই অনেক কিছু জানা যায় না) বর্তমানকে ধরিÑ সৌদিরাজ সাধারণ নাগরিকদের ইসলামিক বিচার করেন(হাত কাটা, তরবারির ঘায়ে গলাকাটা), কাবাঘরের ইমামতি বংশানুক্রমিক, বংশীয় উত্তরাধিকারী ছাড়াও কাবাঘরের অভ্যন্তরে প্রবেশাধিকার সর্বসাধারণের জন্য নিষিদ্ধ। আর আরব আমিরাত, কুয়েত(আমীর ব্যবস্থা, ধনী-গরীব বৈষম্য, ধর্মে আচার বেশি), ইরাক, ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, প্যালেস্টাইন(যুদ্ধ, অমানবিকতা, বর্বরতা), বাংলাদেশ (সাম্প্রদায়িকতা, দরিদ্রতা, অপরাজনীতি, সন্ত্রাস, দূর্নীতি), সোমলিয়া-ইথিওপিয়া (দারিদ্র, যুদ্ধ, সন্ত্রাস, দূর্ভিক্ষ), ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়া(পতিতাবৃত্তি)। অন্যদিকে আফ্রিকায় চলছে দরিদ্রতা, মহামারী, স্বৈরশাসন, গৃহযুদ্ধ, জাতিগত যুদ্ধ। মিশর বাদে লিবিয়া, জর্ডানের অজ্ঞানতা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, চেচনিয়া, বসনিয়া(যুদ্ধ) কোথাও শান্তি নেই। কোনও মুসলিম দেশে জীবনাচরণ নিঃশঙ্ক এবং আনন্দময় নয়। সবসময় সেখানে একটা শঙ্কা, একটা নিরাপদহীনতায় আক্রান্ত হওয়া চলে সবার। তাই সে জায়গায় বিকশিত হয় না জ্ঞানপুষ্প; ধর্মেই আছে আদমের (মানুষের) জ্ঞানবৃক্ষের ফল খাওয়া(জ্ঞান অর্জন করা) বেআইনী, অপরাধ, আল্লাহকে অমান্য করা বা করতে চাওয়া, শয়তানের প্ররোচনা, লজ্জার উন্মেষ, নারীর প্রসববেদনা, স্বর্গ হতে বিতারন, মর্ত্যে নিক্ষেপন, পার্থিব কষ্ট ভোগের অভিশাপ প্রভৃতি বিপদজনক বিপদ আল্লাহ দ্বারা মানুষের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি মানুষের সাথে কথা বলেন না। দুতের মাধ্যমে বলেন(রাণী এলিজাবেথ বা উন্নাসিক ধনিক শ্রেণীর মত। হ্যান্ডশেক করতে গিয়ে হাত নোংরা হয় বলে হাতমোজা ব্যবহার) সবকিছুই ঐ জ্ঞানবৃক্ষের ফল খাওয়ার জন্য।
এই সব অর্থাৎ ইসলাম কেন্দ্রিক দেশগুলোর সবচেয়ে দুর্বল দিক হলো শিক্ষা। শিক্ষার হার এসব দেশে সবচেয়ে কম। অর্থাৎ শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনকে ইসলামশাসিত দেশগুলোতে অনুৎসাহিত করা হয় সবসময়। প্রমান: বাংলাদেশের বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের কোন উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার নেই। মধ্যপ্রাচ্যের টাকা আছে কিন্তু ঐ টাকার সবটাই রাজা শ্রেণীর বিলাসিতার জন্য, উটের দৌড়ে জুয়া খেলার জন্য। যারা স্থলে চলে রোলস রয়েস গাড়িতে, জলে চলে স্ক্রুনার, প্রমোদতরীতে, আকাশে চলে নিজস্ব জেটবিমানে, হেলিকপ্টার, কনকর্ডে। সাধারণ মানুষ যে সব ব্যাপার স্বপ্নেও দেখেনা, সেই সব ভোগদ্রব্য, বিলাসদ্রব্য, ব্যাবহারিক দ্রব্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকেছে সবসময় একটা শ্রেণীর পায়ের তলায় বাদামখোসার মতো। ঐ একটা শ্রেণীর ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করে পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে (বেনজীর ভুট্টো, ইমরান খান, হাসিনার ছেলেমেয়ে, নাতি-নাতনি, সৌদী-কাতার-কুয়েত-আবুধাবী বিভিন্ন দেশের বাদশার ছেলেমেয়ে), কর্মজীবন, শেষজীবন অতিবাহিত করে পাশ্চাত্যে। বিয়েও করে পাশ্চাত্যে(ইমরান খান, কুয়েতের আমীরের ভাই, সৌদি বাদশার ছেলে)। ওদের ১২/১৪ বছরের ছেলের যৌন তৃষ্ণা মেটানোর জন্য হারেম তৈরী করা হয়(আদনান খাসোগী ও সৌদি বাদশা ফাহাদ এর ছেলের জন্য)। ওইটুকু বালক বৃটিশ রাজপ্রাসাদ কিনে নিতে চায়, লেডী ডায়নাকে দেখে যৌন উদ্দীপনা বোধ করে ও তাকে বিয়ে করার জন্য আবদার করে পিতার কাছে(আদনা খাসোগীর ছেলে), ইরানের জনসাধারণ প্রাণের তাগিদেই এনেছে ডিশ এন্টেনা, অথচ সরকার এই মুক্ত প্রবাহকে বাধা দিচ্ছে বারবার। ইরাকে সাদ্দাম হোসেন আজীবন প্রেসিডেন্ট, আফগানিস্তানে চলছে সার্বক্ষণিক যুদ্ধ, পাকিস্তানে মুসলমান মারছে মুসলমানকে(শিয়া-সুন্নী) আর বাংলাদেশের কথা বলাই বাহুল্য। প্রতিনিয়ত প্রতিদিন অনুভব করছি বিভিন্ন দিক থেকে।

মুসলমানদের প্রতি পশ্চিমা বিশ্বে নেগেটিভ ধারণা বহন করা হয়, মনে করা হয়ে মুসলমান ও মাসলমান সমার্থক অর্থাৎ মুসলমান মাত্রই সন্ত্রাসী, কিন্তু কেন? সাফল্য তো কখনও চাপা পড়ে থাকেনি ইউরোপীয় অঞ্চলে। ওখানেও ছিল বৃক্ষপূজক জার্মান, অসভ্য ইংরেজ, বন্য ফরাশী; ওরা সাদরে যুগে যুগে নতুন মতকে স্বাগত জানিয়েছে। গ্রীক ধর্ম থেকে খ্রিস্টান ধর্মে বা রেঁনেশা বা প্রটেস্ট্যান্ট প্রভৃতিতে উত্তরনে বাধা আসেনি কখনও, তারা এই বর্তমানকালেও ইসকন'কে বাধা দিচ্ছে না। তাহলে সমস্যাটা কোথায়? ওদেরকে বাধা দেয়া হয় কেন? যদি তার প্রতি ঈর্ষাবোধ হত, তবে তো রেঁনেশা বা ইসকন'কেও বাধা দেয়া হত। তবে কি ঘৃণাবোধ থেকে? ভারতে অবশ্য ওরা বাধা পায়নি কখনও(হিন্দুদের কাছ থেকে)। যদি বাধা পেত তাহলে এ অঞ্চলে ইসলামের প্রসার হতই না। হিন্দু ধর্মের আদর্শই হচ্ছে ‘সর্বে ভবন্তি সুখীনঃ’ সকলে সুখী হোক। অর্থাৎ কারও অমঙ্গল কামনা না করা। মহাভারতের যুদ্ধে সকলকে হারিয়ে রাজ্য জয় করে সেই বিজিত রাজ্যকে ত্যাগ করা হল। এমন মহান ত্যাগ ইসলামে কোথাও নেই। ইসলাম ত্যাগে নয় ভোগেই মুক্তি খোঁজে। সেখানে সন্ন্যাসবাদের কোন স্থান নেই। বিপরীতে ভারতীয় ধর্মে ভোগ নয় ত্যাগেই মুক্তি বা সুখ অন্বেষণ করা হয়েছে।
ইসলামে ত্যাগ বা বৈরাগ্যকে সবসময়ই অস্বীকার করা হয়েছে। অথচ মোহাম্মদ ও কয়েকজন খলিফার পর এই বৈরাগ্যবাদীদের দ্বারাই(সূফী) ইসলাম প্রচার হয়েছে সবচেয়ে বেশি। অথচ এরা প্রায় প্রত্যেকে কোরান, হাদীস প্রভৃতি পুস্তক নদীতে ফেলে দিয়ে ধ্যান করেছেন সৃষ্টিকর্তার। এবং সেটা অবশ্যই কোরান কেন্দ্রিক ঈশ্বর নয়।
বলা হয়ে থাকে মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই। এটা যে কতবড় মিথ্যাচার তা পাকিস্তানের শিয়া-সুন্নী হানাহানি, তুরস্কে, ইরাকে কুর্দিদের সাথে যুদ্ধ, কাদিয়ানী, হানাফি, ইসমাঈলী প্রভৃতি মতকে অস্বীকার, এছাড়াও ইসলামিক দেশগুলোতে মৌলবাদীদের সাথে সরকারী ব্যক্তিদের যুদ্ধে এটা বোঝা যায়। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন জাতি সহাবস্থান করছে নিঃশঙ্কভাবে। কিন্তু পৃথিবীর যে সব জায়গায় মুসলমান রয়েছে, সেই জায়গাগুলোতে হানাহানি যেন স্বাভাবিক ঘটনা মাত্র। ভারত, বসনিয়া, চেচনিয়া, ইউক্রেন, আর্মেনিয়া, আফ্রিকান দেশগুলো, চীন, ফিলিপাইন (বরো মুসলিম গেরিলা), ইন্দোনেশিয়ায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রভৃতি দেশের সাম্প্রতিক ঘটনা গুলো বিশ্লেষণ করলে এটাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তো মুসলমানদের সাথে অন্যান্যদের এই যে ঝগড়া, এটা কি শুধু বিরোধীদের হিংসা নাকি ওদেরও দোষ আছে। নিশ্চয় এক হাতে তালি বাজে না। কোরানেই পরধর্ম ও পরধর্মাবলম্বীদেরকে অশ্লীলভাবে কুৎসিত গালিগালাজ করা হয়েছে। ইহুদী খ্রিস্টান মতকে বাতিল মত বলা হয়েছে, মূর্তিপূজাকে খারাপ ও পরিত্যাজ্য বলা হয়েছে।

লেখাটি সংগৃহীত, তবে লিংক ভুলে গেছি। কেউ জেনে থাকলে জানাতে অনুরোধ থাকল।

0 comments:

Post a Comment

 

Blog Archive

© 2012-2017 আমার ইতিহাস | Powered by: Blogger