সংবাদ পত্রিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে খবরটি সম্পূর্ণ প্রকাশ করছি।
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, পাবনাআরবীয় ভাবধারা প্রভাবিত ইসলামী সংস্কৃতি আমার দেশের কোমলমতি ছাত্রদের উপর বর্বর নির্যাতন চালালো আর ধর্মভীরু বোকা বাঙালিরা শুধুমাত্র ওই শিক্ষককে সতর্ক করেই ছেড়ে দিল। হতাশা ছাড়া আর কিছুই বোধ হচ্ছে না। কোনটা অপরাধ আর কোনটা নয় এই বোধটাও কি তাদের নেই নাকি?
টিভি দেখার অপরাধে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে শাস্তি হিসেবে ২৫৬ বেত্রাঘাতের মতো পৈশাচিক ঘটনা ঘটেছে। এ বেত্রাঘাতের সময় ওই ছাত্র অজ্ঞান হয়ে পড়লেও মাদ্রাসা হুজুরদের কোন করুণা হয়নি। তাকে গুণে গুণে ২৫৬টি বেত্রাঘাতের দ- দেয়া হয়েছে। আতাইকুলা থানার চড়াডাঙ্গী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এ নির্মম ঘটনা শুক্রবার ঘটেছে।
জানা গেছে, চড়াডাঙ্গী হাফিজিয়া মাদ্রাসার (আবাসিক) হেফজ ছাত্র (১০/১২) মোফাজ্জল হোসেন বৃহস্পতিবার ছুটি নিয়ে গঙ্গারামপুরের বাড়িতে যায়। বৃহস্পতিবার রাতে মোফাজ্জল হোসেন প্রতিবেশীর বাড়িতে টিভি দেখে। টিভি দেখার এ কথা অন্য ছাত্ররা মাদ্রাসা হুজুরকে জানিয়ে দেয়। শুক্রবার মোফাজ্জল হোসেন মাদ্রাসায় ফিরে আসে। এরপর হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবুল হাসান টিভি দেখার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ছাত্র মোফাজ্জল হোসেন স্বীকার করে। মাওলানা আবুল হাসান ওই ছাত্রকে ২৫৬টি বেত্রাঘাত করার ঘোষণা দেয়। তিনি নিজেই মোফাজ্জলকে ২৫৬টি বেত্রাঘাত করেন। বেত্রাঘাতের সময় ওই শিক্ষক ছাত্রদের দিয়ে সুর করে বেত্রাঘাতের হিসাব রাখেন।
একপর্যায়ে মোফাজ্জল অজ্ঞান হয়ে পড়ে। রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ সংবাদ পেয়ে মোফাজ্জলের বাবা আবদুর রাজ্জাক তাকে বাড়ি নিয়ে যায়। এ ঘটনা অভিভাবক মহলে জানাজানি হলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। গতকাল সকালে চড়াডাঙ্গা পীরের ছেলে বনি আমিনের নেতৃত্বে এ ঘটনায় এক সালিস বৈঠক বসে। সালিস বৈঠকে ওই শিক্ষককে সতর্ক করে দেয়া হয়। লিংক

0 comments:
Post a Comment