Tuesday, January 24, 2012

নগ্ন ইরানি মুসলিম নায়িকা ফারহানি নিজদেশে নিষিদ্ধ হল

ইরানি মুসলিম নায়িকা গোলশিফে ফারহানি Golshifteh Farahani বিবসনা নগ্ন ছবির কারনে নিজদেশে নিষিদ্ধ হলইরানি মুসলিম নায়িকা গোলশিফে ফারহানি (Golshifteh Farahani) ফরাসি সাময়িকী মাদাম লি ফিগারোয় ('Madame Le Figaro') বিবসনা হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন। উর্ধাঙ্গ অনাবৃত করে বক্ষদ্বয় হাত দিয়ে ঢেকে তোলা এই ছবিটির কারণে তিনি এখন নিজ দেশে নিষিদ্ধের শিকার। ইসলামি মূল্যবোধকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে উঠতি নায়িকা গোলশিফে ফারহানি একটি শৈল্পিক সৌন্দর্য সৃষ্টি করতে চেয়েছেন। কিন্তু মূর্খ মুসলমান মোল্লারা সেরকম রুচিবোধের অধিকারী নয়। তারা শিল্পীর স্বাধীনতাকে বেড়াজালে আটকে রাখতে চায়। তাই নায়িকা ফারহানিকে তার নিজ দেশ ইরানে ফিরে আসতে নিষেধ করে দেয়া হয়েছে। ফরহানি যে ইচ্ছে করেই নগ্ন হয়ে ছবিটি তুলেছে সেকথা বলাই বাহুল্য। তিনি জানতেন তার এই নগ্ন ছবি তার দেশ ইরানের মুসলমান শাসকদের মনে কেমন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করবে। সেসব জেনেও তিনি ইসলামী শাসনের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেছেন। শিল্পের প্রতি অবমাননার প্রতিবাদ হিসেবে তিনি জেনেশুনে নিজেকে অনাবৃত করে ছবি তুলেছেন বলে ধারনা করি।

গোলশিফে ফারহানি ইরানের রাজধানী তেহরানে ১৯৮৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা বেহজাদ ফারহানি ছিলেন একজন শিল্পী ও শিল্পমনস্ক ব্যক্তি। অভিনেতা ও থিয়েটারের পরিচালক হবার কারণে সংস্কৃতি চর্চার প্রতি মানসিকতা তার ছিল। তিনি মেয়ের পাঁচ বছর বয়সে গান ও পিয়ানো শেখার ক্লাসে পাঠান। ১২ বছর বয়সে তাঁকে তেহরানের একটি সংগীত বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো হয়। ১৪ বছর বয়সে ফারহানি ‘দ্য পিয়ার ট্রি’ ছবিতে অভিনয় করেন। প্রথম ছবিতেই তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন। তেহরানে অনুষ্ঠিত ১৬তম ফার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবে তিনি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার হিসেবে ক্রিস্টাল রক পুরস্কার পান।

উপরের ছবিটি নেয়া হয়েছে DailyMail পত্রিকা থেকে। লিংক

1 comments:

Anonymous said...

apnar fb id ta diben ???
amarta. . . .
www.facebook.com/hakus.pakus

Post a Comment

 

Blog Archive

© 2012-2017 আমার ইতিহাস | Powered by: Blogger