Friday, March 2, 2012

মসজিদের ইমাম আবরারুল হক শিশু ধর্ষণকারী

ইসলামের নবি হযরত মোহাম্মদ শিশু আয়েশাকে বিয়ে করেছিলেন। মোহাম্মদের মত আচরণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অবশ্য অনুকরণীয়। মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলার এক মসজিদের ইমাম আবরারুল হক (৩৫) মোহাম্মদের মতই নারীশিশুকে দেখে যৌন উত্তেজনা বোধ করেছিলেন এবং ধর্ষণ করেছিলেন। আমরা পজিটিভলি একটু ভেবে নেই ঘটনাটা আসলে কি ঘটেছিল- মসজিদের ইমাম স্থানীয় ধামারন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী শিশুটিকে যৌন প্রসঙ্গ বিষয়ক কোরানিয় আয়াত পড়াতে গিয়ে ইসলামি মতে যৌন প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু সে তাতে রাজি হয়নি। তাকে নিশ্চয় মুতা বিয়েরও প্রস্তাব দিয়েছিলেন সম্মানিত ইমাম সাহেব। কিন্তু শিশুটি নিশ্চয় তাতে রাজি হয়নি। ইমাম হুজুর সাহেবের দেয়া ইসলামী পদ্ধতির প্রস্তাবসমূহ যেহেতু শিশুটি প্রত্যাখ্যান করেছে, সেহেতু তাকে জোরপূর্বক রাজী করানো নিশ্চয় ইমামের ইমানি হক হয়ে গেছে। আর তাই তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করা ছাড়া অন্য কোন উপায় ইসলামী মতে খুজে পাননি। আর তাতেই ইমামহুজুর সাহেব বাধ্য হয়েছেন, শিশুটিকে বিছানায় নিয়ে যেতে।
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার পাগুলী গ্রামের হানিফ উদ্দিনের ছেলে এই ইমাম ইসলামি আদর্শকেই বাস্তবায়ন করতে চেয়েছেন, কিন্তু বাংলাদেশের বেশরিয়তী, ইসলাম বিরোধী আইনের ইসলামবিরোধী পদক্ষেপ তার ইমানী উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিয়েছে।

খবরটি জানতে ভিজিট করুন বিডিনিউজ২৪ এর খবর "শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার"

4 comments:

parvez said...

এই মোল্লা আসলেই একটা পাক্কামুস্লমান এক মানসিক বিকৃত মুহাম্মাদ যেভাবে ৬ বছরের আয়েশাকে বিয়ে করে ৯ বছর বয়সে সেই বিয়ের পূর্ণতা আনেন তো সেই লম্পটের অনুসারিরা এর থেকে কি আর ভালো হবে?

Anonymous said...

amaro tai mone hoy. but not only this mulla, all mullas are same.

sajal said...

এই মোল্লা শুধু নয়, সব মোল্লারাই মোহাম্মদের মত মানসিকভাবে বিকৃত। মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

sajal said...

আপনি আমার মনের কথাটাই বলেছেন। ধন্যবাদ।

Post a Comment

 

Blog Archive

© 2012-2017 আমার ইতিহাস | Powered by: Blogger