মাত্র ৬ থেকে ১০ বৎসর বয়সের শিশুদেরকে নামাজ না পড়ার কারণে দোজখের (ভয়) অভিজ্ঞতা বোঝাতে আগুনে গরম করা খুন্তির ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে। ইসলাম ধর্ম বাচ্চাদেরকে এভাবেই ভয় দেখিয়ে হুমকি দিয়ে মুসলমান বানাতে চায়। মানুষ স্বভাবগতভাবে ইসলাম ধর্মের অর্থহীন, নিরানন্দ, একঘেঁয়ে আচার অনুষ্ঠান করতে চায় না। কোন বুদ্ধিমান, ভালো স্বভাবের শান্তিপ্রবণ মানুষেরই ইসলামকে পছন্দ করার কারন নেই। যে শিশুরা সারাক্ষণ হাসি আনন্দে সময় কাটাতে চায়, তারা ইসলামকে ভালোবাসবেনা সেটাই স্বাভাবিক। শিশুরা সরলপ্রাণা, প্রাণোচ্ছল বলেই নামাজ পড়ার প্রতি তাদের অনিচ্ছা স্বাভাবিক।
 |
| যাত্রাবাড়ীর শ্যামপুর এলাকার তালিমুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসায় নামাজ না পড়ার কারনে ১৪ মেয়ে শিশুকে খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে |
কিন্তু ইসলামের চেলা হুজুরের স্ত্রী জেসমিন ইসলামী পদ্ধতিতে বাচ্চাদের সেই ইচ্ছাকে ধ্বংস করেছেন। তাদেরকে জোর করে ধরে আগুনে খুন্তি গরম করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দিয়েছেন। বাচ্চারা আর্তনাদ করে উঠেছে। কিন্তু তাতে হুজুরের স্ত্রী সুগন্ধী ফুলের নামে নাম জেসমিন বেগমের হৃদয় দুলে ওঠে নি, গলে যায় নি। বিস্তারিত খবর প্রকাশিত হয়েছে 'বাংলানিউজ২৪' ওয়েব পত্রিকায়। এই ঘটনা ঘটেছে গত ১ মার্চ ২০১২ তারিখে।
১৪ শিশুকে খুন্তির ছ্যাঁকা
ছবিকৃতজ্ঞতা: মাজেদুল নয়ন/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শ্যামপুর এলাকার তালিমুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসায় ১৪ মেয়ে শিশুকে খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে। ৬ থেকে ১০ বছরের এই শিশুরা মাদ্রাসা ছুটির সময় নিজেদের বাড়িতে নিয়মিত নামাজ পড়েনি এমন কথা জানতে পেরে মাদ্রাসার শিক্ষকের স্ত্রী তাদের এ শাস্তি দেন।
শিশুগুলোর আর্ত চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে গিয়ে তাদের রক্ষা করে।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে নামাজ না পড়ার অভিযোগে এসব মেয়ে শিশুদের ওপর এই বর্বর কাজ করেন হুজুরের স্ত্রী জেসমিন। এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে মাদ্রাসা ঘেরাও করে রাখে।
আহত মাদ্রাসার ছাত্রী শিরিনের খালা ময়না বেগম বাংলানিউজকে জানান, পরীক্ষা শেষে ১০ দিন মাদ্রাসা বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার শিশুরা মাদ্রাসায় গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক মাসুদুর রহমানের স্ত্রী জেসমিন তাদের কাছে বন্ধের ১০ তারা প্রতি ওয়াক্ত নামায আদায় করেছে কিনা জানতে চান।
কয়েকটি শিশু নিয়মিত নামাজ পড়া হয়নি জানালে জেসমিন পাশের ঘর থেকে খুন্তি আগুনে গরম করে একে একে ১৪টিশিশুকে ছ্যাকা দেন। শিশুদের আর্তচিৎকারে শুনতে পেয়েই আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে।
ময়না আরো জানান, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে এলাকার প্রভাবশালী ফজলুর সহযোগিতায় জেসমিন ও মাসুদুর রহমান পালিয়ে যায়।
ঘটনার অনেক পরে শ্যামপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এ এস আই) যুবায়ের ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের খোঁজ করেও পাননি বলে বাংলানিউজকে জানান।
আহত শিশুদের কয়েকটির নাম জানা গেছে। এরা হচ্ছে- শিরিন, ফেরদৌসি, রেখা, সুমি ও রুমা।
খবরের লিংক: বাংলানিউজ২৪
ইহাকেই বলে ইসলামী শিক্ষা। আরবীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের করুণ শিকার বাংলাদেশের কোমলমতি মেয়েদের জন্য আমার দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া কিছুই করার নেই। হায়! তারা যদি নিজ দেশ, নিজ সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন হতো, তাহলে আরবের দালালদের কি আর তাদের গায়ে হাত তোলার সাহস হত? আরবীয় কুৎসিত নীতিবোধের শিকার বাংলাদেশের শিশুদের প্রতি আমি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি। বাংলাদেশ যদি সচ্ছল দেশ হতো, যদি দেশের সকল মানুষের ভাত-কাপড়ের সংস্থান করতে পারতো, তাহলে আরবীয় সংস্কৃতি আরবীয় শিক্ষার এদেশীয় এজেন্টরা এই দেশের মানুষকে ঠকাতে, নির্যাতন করার কোন সুযোগ পেত না। আরবীয় দালালদের হিংস্র মানসিকতার করুণ বলি হতে হতো না।
 |
| গরম খুন্তির ছ্যাঁকায় পায়ে দগদগে ঘা |
আপডেট খবর হচ্ছে আজ ৮ মে ২০১২ তারিখ ভোরে ইসলামবাদী ডাইনী জেসমিন আক্তার (৩৮) নামের ওই শিক্ষিকাকে ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিয়মিত সময়মতো নামাজ না পড়ায় এই আরবীয় সংস্কৃতির দাসী জেসমিন আক্তার গত ১ মে আগুনে খুন্তি গরম করে তালিমুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসার ১৪ ছাত্রী শরীরে ছ্যাঁকা দেন। ছাত্রীদের ‘দোযখের আগুন’ সম্পর্কে ধারণা দিতে তিনি এই কাণ্ড করেছিলেন।
1 comments:
হ্যাঁ, ইহাই দোজখ। ইসলাম দোজখের অনুভূতি এই পৃথিবীতেই দিয়ে থাকে। মুসলমানরা এটা যতদিন না বুঝবে, ততদিন তাদের ভোগান্তি চলতেই থাকবে।
Post a Comment